Monday, 19 February, 2018, 12:10 PM
Home জাতীয়
উন্নয়ন অভিযাত্রায় আমাদেও দৃষ্টি দিগন্ত ছাড়িয়ে
ড. শামসুল আলম
Published : Monday, 5 February, 2018 at 2:06 PM, Count : 0
উন্নয়নে আমরা দৃষ্টিগোচর দিগন্ত অতিক্রম করতে চাই। বাংলাদেশ সম্প্রতি জাতীয় পর্যায়ে উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। মূলত বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকেই দেশের জাতীয় পরিকল্পনাগুলো প্রণয়ন করে আসছে। ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১০-১৫) বাস্তবায়ন শেষে বাংলাদেশ এখন সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, যার ব্যাপ্তি ২০২০ পর্যন্ত। শুধু তা-ই নয়, সরকারি সিদ্ধান্তে জিইডি এখন আরো সামনের দিকে তাকিয়ে দেশের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি বেশকিছু পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে। বাংলাদেশের প্রথম দীর্ঘমেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২১) জিইডি প্রণয়ন করেছে, যার মধ্যবর্তী মূল্যায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে। একই সঙ্গে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মধ্যবর্তী মূল্যায়নের কাজ জিইডি শুরু করেছে, যা অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে হবে মূল অনুষঙ্গ।

মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় পরিকল্পনাগুলো প্রণয়নের ক্ষেত্রে এ সময়ে জিইডি একটি চমত্কার ও কার্যকর সর্বজনীন আলোচনা-পরামর্শ-কৌশল অবলম্বন করে আসছে, যার মাধ্যমে শুধু সরকারের মন্ত্রণালয়-বিভাগ-সংস্থাই নয়, বরং সরকারের বাইরে সুশীল সমাজ, গবেষক, চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ, বেসরকারি সংস্থা, মিডিয়া ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। জাতীয় পর্যায়ে সর্বজনীন পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে বর্তমানের জিইডি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম।

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আবর্তে নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (২০২৬-৩০) ব্যাপ্তি বৈশ্বিক এসডিজি অর্জন এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী অভিযোজন ও প্রশমনসংশ্লিষ্ট অভীষ্ট অর্জন মূল্যায়নের শেষ বছরের সঙ্গে মিলে যায়। প্রধানমন্ত্রীসহ বাংলাদেশ সরকার বৈশ্বিক এ অভীষ্ট অর্জনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছে। এমডিজি অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্য এক্ষেত্রে সরকারকে প্রেরণা জুগিয়েছে, আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। এ অভীষ্টগুলো অর্জনে জিইডি এরই মধ্যে বেশকিছু ব্যতিক্রমধর্মী অথচ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জিইডি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টগুলোর ১৬৯টি লক্ষ্যের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থার মধ্যে থেকে মুখ্য ভূমিকা ও সহায়ক ভূমিকা পালনকারী মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থা চিহ্নিত করে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা (টার্গেটস) নির্দেশিকা প্রণয়ন ও প্রকাশ করেছে। বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক এসডিজি অর্জনের ক্ষেত্রে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এবং এর অন্তর্গত বিভাগ/সংস্থাগুলো মুখ্য ভূমিকা পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণে তার কার্যালয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের এসডিজি পরিবীক্ষণ ইউনিট গঠন করা হয়েছে, যা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছে এবং জিইডিসমেত অগ্রগতি পরিবীক্ষণ করবে। আর এসব কাজের জন্য সেক্রেটারিয়েট হিসেবে জিইডিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দেশের সুশীল সমাজ ও সিপিডির নেতৃত্বে বিভিন্ন এমডিজি অর্জনে সরকার কর্তৃক গৃহীত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মুখ্য ভূমিকা ও সহায়ক ভূমিকা পালনকারী সংস্থা চিহ্নিত করার কাজটি শেষ করেছে। এ উদ্যোগ সরকারের এসডিজি অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়। জিইডি এক্ষেত্রে এসডিজি অর্জনে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের সামগ্রিক ও খাতভিত্তিক সমীক্ষা এরই মধ্যে প্রকাশ করেছে এবং মন্ত্রণালয়/বিভাগ/ সংস্থাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজটিও শেষ করে এনেছে। সহজবোধ্য ভাষায় সবার জন্য এসডিজি  লক্ষ্যমাত্রা ও সূচকগুলোর বাংলা অনুবাদ জিইডি প্রকাশ করেছে।

উন্নয়ন অভিযাত্রার দ্বিতীয় দিগন্ত হলো ২০৪১। সরকারের নির্দেশনায় জিইডি দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ হাতে নিয়েছে, যার ব্যাপ্তি ২০৪১ পর্যন্ত। ২০৪১ হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৭০ বছর পূর্তি। এর আগে জিইডি প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে, যার বাস্তবায়ন ২০২১ পর্যন্ত। আর ২০২১-এর মধ্যে দেশ থেকে চরম দারিদ্র্য দূর করাই প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-এর অন্যতম লক্ষ্য ছিল।

জিইডি এরই মধ্যে বিভিন্ন খাতভিত্তিক সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে ১৬টি গবেষণা প্রণয়ন করেছে, যা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ প্রণয়নের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার হবে। এরই মধ্যে রূপকল্প ২০৪১-এর খসড়া প্রণীত হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করাসহ ২০৪১ সালে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে এ প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

উন্নয়ন অভিযাত্রার তৃতীয় দিগন্ত হলো ২১০০। ২১০০ সাল দেশের স্থিতিশীল উন্নয়ন অভিযাত্রার দূরবর্তী কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি মাইলফলক। কারণ এক্ষেত্রে শুধু একটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নয়, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে স্থিতিশীল উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের যোগ্য ও ক্ষমতাবান করে তোলা এবং তাদেরকে সম্পদ হিসেবে তৈরি করাই সরকারের উন্নয়ন অভিযাত্রার মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ২১০০-এর দিগন্ত ছুঁতে চলেছে। ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনায় উত্কর্ষ অর্জনকারী নেদারল্যান্ডসের কারিগরি সহায়তায় বাংলাদেশের জন্য শতবর্ষী এ মহাপরিকল্পনার চূড়ান্ত খসড়া এরই মধ্যে প্রণীত হয়েছে। এ মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের সামগ্রিক উদ্দেশ্য হলো, প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবকে হ্রাস করে জলবায়ু পরিবর্তন বিবেচনায় রেখে কৃষি, পানিসম্পদ, ভূমি, শিল্প, বনায়ন, মত্স্যসম্পদ প্রভৃতিকে গুরুত্ব প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুষ্ঠু পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, খাদ্যনিরাপত্তা ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি (৫০ থেকে ১০০ বছর) মহাপরিকল্পনার কাঠামো প্রণয়ন এবং তা মেয়াদান্তরে বাস্তবায়নের কর্মকৌশল নির্ধারণ করা। এ মহাপরিকল্পনার রূপকল্প হলো—

‘দৃঢ়, সমন্বিত ও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তনশীল কার্যকর কৌশল অবলম্বন এবং পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় ন্যায়সঙ্গত সুশাসন প্রতিষ্ঠার
মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে পানি ও খাদ্যনিরাপত্তা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন অভিঘাত এবং অন্যান্য ব-দ্বীপ সমস্যা মোকাবেলা করা।’

বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০-এর নির্দিষ্ট অভীষ্টগুলো হলো— বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিপর্যয় থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা আনা ও পানির পর্যাপ্ততা বৃদ্ধি করা; সমন্বিত ও টেকসই নদী ও নদীমোহনা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা; জলাভূমি ও বাস্তুতন্ত্র (ইকো সিস্টেম) সংরক্ষণ এবং এগুলোর যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা; অন্ত ও আন্তঃদেশীয় পানিসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও ন্যায়সঙ্গত সুশাসন গড়ে  তোলা এবং ভূমি ও পানিসম্পদের সর্বোত্তম ও সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

এ পরিকল্পনা প্রণয়নের আগে পানি ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন, নদী ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মত্স্য, খাদ্যনিরাপত্তা, আন্তঃদেশীয় নদী ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ে ২৪টি ভিত্তি সমীক্ষা করা হয়েছে এবং পরিকল্পনা প্রণয়নের সময় জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে কমবেশি ২ হাজার ২০০ অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা, ওয়ার্কশপ, সেমিনার ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে এ পরিকল্পনার কর্মকৌশল ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এ পরিকল্পনার মূল ভিত্তি হলো, অভিযোজনভিত্তিক ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনা, যা পরিবর্তিত অর্থনৈতিক অবস্থা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিবেচনা করে সময়ের সঙ্গে কার্যকর ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনা নীতি অনুসরণ করে বাস্তবায়ন হবে এবং তা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ব্যাপ্তি অর্থাৎ ২০২১-২৫ সময়টি বাংলাদেশের অর্থনৈতিকসহ সামগ্রিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ সময়ের মধ্যেই আমরা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে আসব। এর অর্থ হলো, আমাদেরকে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশজ সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নয়ন অভিযাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বিগত সময়ে উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর কাছ থেকে প্রতি বছর পাওয়া প্রায় দেড় বিলিয়ন মার্কিন ডলারের উন্নয়ন সহায়তার বিকল্প প্রায় সবটাই দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকেই জোগান দিতে হবে। পরিকল্পনামাফিক এগোনোয় আমাদের সামর্থ্যও উন্নীত হবে।

২০৩০ সাল এসডিজি অর্জনসহ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন ও প্রশমনের অভীষ্ট অর্জনের সময়সীমা। এর অর্থ হচ্ছে, এখন থেকে ১২ বছরের মধ্যে এ-সংক্রান্ত অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশ এমডিজি অর্জনে ঈর্ষণীয় সাফল্য দেখিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ অত্যন্ত আশাবাদী যে, টেকসই উন্নয়ন ও অভীষ্টগুলো অর্জনেও সফল হবে। তবে এক্ষেত্রে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, ব্যক্তিখাতসহ সমাজের সব স্তরের জনগণের অংশগ্রহণ ও অবদান এতে প্রয়োজন। এসডিজি বাস্তবায়নকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে জিইডি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে চলেছে।

২০৪১ সালটি দেশের উন্নয়ন অভিযাত্রার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কারণ প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১-এর সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে আশাবাদী। এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো, এ অর্জন টেকসই উন্নয়নের মূলমন্ত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর অর্থ হলো, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আর্থসামাজিকভাবে উন্নত একটি দেশ গড়ে তোলা। আর এক্ষেত্রে আমাদের জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি বলেই আমাদের প্রবৃদ্ধির হার ক্রমে বাড়ছে। পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে ভিত্তি করেই প্রতি বছর বাজেট প্রণয়ন হচ্ছে। এ সুসমন্বয়ই আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার অন্যতম কারণ। পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার খাত বিভাজন ও এখনকার বাজেটের খাত বিন্যাস অবিকল। জিইডি স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে দেশের আর্থসামাজিক
উন্নয়নে নিরন্তর অবদান রেখে চলেছে। বাংলাদেশের ঈর্ষণীয় উন্নয়ন অভিযাত্রায় নিরলস অবদান রাখতে ‘টিম জিইডি’ দেশ ও জাতির কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

 

লেখক: সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব)
সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন






« PreviousNext »

সর্বশেষ
অধিক পঠিত
এই পাতার আরও খবর
ইনফরমেশন পোর্টাল অব বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড -এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রওশন জামান -এর পক্ষে সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান  ও উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ আখতার ইউসুফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত
ইমেইল: info@iportbd.com, বার্তা বিভাগ: newsiport@gmail.com