Wednesday, 23 August, 2017, 10:18 AM
Home আন্তর্জাতিক
ইসলামিক-আমেরিকান সম্মেলন কি বৈশ্বিক সন্ত্রাস রুখতে পারবে?
মুহা. রুহুল আমীন লিখেছেন ইত্তেফাকে
Published : Tuesday, 23 May, 2017 at 12:00 AM, Update: 23.05.2017 5:29:49 PM, Count : 2

২১ মে বিকালে সৌদি রাজধানী রিয়াদে প্রথম আরব ইসলামিক আমেরিকান (এআইএ) সম্মেলন শুরু হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ৫৬টি আরব ও মুসলিম দেশ এ সম্মেলনে অংশ নিয়েছে। এ শীর্ষ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা, সহিষ্ণুতা ও সৌহার্দ্যের সম্প্রসারণ এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। বৈশ্বিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সম্মেলনকে সন্ত্রাসবাদবিরোধী উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আশাবাদীদের বিশ্বাস সন্ত্রাস দমনে উপস্থিত দেশের নেতৃবৃন্দ এখন থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে পারবে। অপরদিকে নিরাশাবাদীগণ এআইএ সম্মেলনের রাজনৈতিক অর্থনীতি বিশ্লেষণ করে সন্ত্রাসবিরোধী ভূমিকায় এ শীর্ষ সম্মেলন তেমন কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না বলে মনে করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য-নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর বিদেশ ভ্রমণের মেগাতালিকার শীর্ষে সৌদি আরব ও মুসলিম দেশগুলোকে রাখায় মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের গুরুত্ব বোঝা যায়। অর্থাত্ যুক্তরাষ্ট্র তথা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। মুসলিম দেশগুলোর জন্য এ শীর্ষ সম্মেলন তখনই ফলদায়ক হবে যদি মুসলিম নেতৃবৃন্দ তাঁদের গুরুত্ব অনুধাবন করে অত্রাঞ্চলের সমস্যাগুলো একতাবদ্ধভাবে সমাধান করে সম্ভাবনাসমূহকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ঐক্য সৃষ্টির বদলে যদি এ সম্মেলন মুসলিম বিশ্বের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে তাহলে পুরো চেষ্টাটি ব্যর্থ হতে বাধ্য।

এআইএ সম্মেলনটিকে মূলত বৈশ্বিক জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে একটি সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বাহ্যত মনে হচ্ছে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের চারণকেন্দ্র মুসলিম বিশ্ব এবং বৈশ্বিক জঙ্গিবাদের মূল কারণ মুসলিমরা। কিন্তু বৈশ্বিক সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদের নিগূঢ় রহস্য উদঘাটন করলে দেখা যাবে মুসলিম দেশগুলোতে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের সূচনা হয়েছে বৈশ্বিক বৃহত্ শক্তিবর্গের স্বার্থের লড়াইয়ের কারণে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সৃজিত পরাশক্তিদ্বয়ের প্রভাব বলয় গড়ার নিরন্তর লড়াই থেকে এর সাম্প্রতিক কালের যাত্রা শুরু। স্নায়ুযুদ্ধোত্তরকালে পরাশক্তিদ্বয়সহ তত্কালীন বৃহত্ শক্তিবর্গ তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও স্ট্রাটেজিক স্বার্থ রক্ষার জন্য আরব ও মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন ফ্রন্টে বিভিন্ন দ্বন্দ্ব-সংঘাত জিইয়ে রাখে। মার্ক্সীয় ধারার একাধিক বিশ্লেষণে সে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। বৈশ্বিক শোষণ শাসনের ফলে অত্রাঞ্চলে শাসক ও শোষিত দুটি শ্রেণি তৈরি হয়েছে। এ শ্রেণি-বৈষম্য ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র ও অঞ্চলে সম্প্রসারিত হয়ে আরব ও মুসলিম বিশ্বের সর্বত্র অরাজকতা অস্থিরতা তৈরি করেছে। অত্রাঞ্চলে প্রায় প্রত্যেকটি দেশ কোনো না কোনোভাবে বৃহত্ শক্তির তাঁবেদার এবং তাদের প্রভু-দেশের স্বার্থ রক্ষায় স্বীয় জনগণ, ভূখণ্ড ও আঞ্চলিক স্বার্থকেও বিকিয়ে দিতে শাসকগণ কুণ্ঠিত হননি। সেই শোষণ শাসন ও বঞ্চনার ইতিহাসকে পাশ কাটিয়ে কোনো উদ্যোগ নিলে তা সফল হবে না।

এআইএ সম্মেলনটি যেহেতু বৈশ্বিক জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সমন্বিত পদক্ষেপ রচনা করার ঘোষণা দিচ্ছে, তাই সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের খণ্ডিত সংজ্ঞায়ন যথার্থ হবে না। এখন সময় হলো বৈশ্বিক সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের সঠিক সংজ্ঞায়ন করা এবং এর নেপথ্যের কারণগুলো চিহ্নিত করতে নির্মোহ মনোভাব ব্যক্ত করা। এআইএ শীর্ষ সম্মেলনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হলো উপর্যুক্ত দুটি বিষয়কে সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করা। অর্থাত্ মুসলিম বিশ্বের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টির নির্মোহ চেষ্টা এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের সংজ্ঞায়ন ও উত্স নির্ধারণে নিরপেক্ষ অনুসন্ধান থেকে বিরত থাকা। সম্মেলনটিকে আরব ও মুসলিম বিশ্বের সম্মেলন হিসেবে অভিহিত করলেও কোনো কোনো গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম দেশ এ সম্মেলনে অনুপস্থিত। অধিকন্তু কোনো গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম দেশকে সন্ত্রাসের বিস্তারকারী আখ্যা দিয়ে ঐ দেশের বিরুদ্ধে সম্মেলনটিকে অপরাপর মুসলিম দেশের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে যার সফলতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বের ঐক্য তখনই সফল হবে যখন নির্মোহ, নিরপেক্ষভাবে সকল মুসলিম দেশকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ নেওয়া হবে। ঐক্য সৃষ্টির মঞ্চে বসে ঐক্য-বিরোধী ভূমিকা রেখে বিভাজন তৈরি করলে এ সম্মেলন সাফল্যের আলো দেখবে না। যে যে কারণে মুসলিম বিশ্বে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের সৃষ্টি হয়েছে তার একটি হলো অত্রাঞ্চলের মূল অধিবাসী ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের নিজেদের দেশ থেকে উত্খাত করে সেখানে ইসরাইল রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন করা। বিগত বছরগুলোতে ফিলিস্তিন সমস্যাটি মধ্যপ্রাচ্যের মৌলিক সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সিলেবাস ও টেক্সটবুকেও ফিলিস্তিন সমস্যাটিকে মধ্যপ্রাচ্যের কেন্দ্রীয় সমস্যা হিসেবে বিধৃত করা হয়েছে। কিন্তু আলকায়েদা, আইএস-এর  আবির্ভাবের পর কোনো সমাধান না করেই ফিলিস্তিন সমস্যটিকে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে ফেলা হচ্ছে। মুসলিম বিশ্বের এত বড় শীর্ষ সম্মেলন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র মৌলিক ভূমিকায়, সেখানে ফিলিস্তিন ইস্যু নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্য থাকা প্রয়োজন ছিল। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিন-ইসরাইল সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ হঠাত্ করেই থমকে যায়। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার আগে তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে ইসরাইলের রাজধানী স্থানান্তরকে অনেকটা মেনে নিয়েছিলেন। এখন এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কী তা স্পষ্ট করা দরকার। ট্রাম্প কি ‘দ্বিজাতি, দ্বিরাষ্ট্র সমাধান’ মেনে নেবেন নাকি তিনি ‘একরাষ্ট্র সমাধানের’ পথে হাঁটবেন, তাও স্পষ্ট হওয়া দরকার। বিশ্লেষকগণ অবাক বিস্ময়ে লক্ষ করছে ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানে উক্ত বিষয় দুটির দিকে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।

বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো রাষ্ট্রসমূহের বলগাহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা। স্ট্রাটেজিক স্টাডিজের ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো করে জানেন কিভাবে ক্ষুদ্র ও ভারী অস্ত্রসম্ভার বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের ঝনঝনানি তৈরি করেছে। শান্তির জন্য অস্ত্রায়ন প্রক্রিয়া বন্ধ করার তাগিদ তৈরি হয়েছে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি। সন্ত্রাসবাদ দমনে ইরানের পারমাণবিক অভিলাষ পূরণে বাধা দিতে দেশটির সঙ্গে পঞ্চ বৃহত্শক্তির পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার অস্ত্রায়নের বিরুদ্ধেও বিশ্ববাসী সোচ্চার হয়েছে। এআইএ শীর্ষ সম্মেলনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে। ২০০ বিলিয়ন ডলার অস্ত্রচুক্তি ইতিহাসে নজিরবিহীন। বিবিসি জানায়, সৌদি আরবের সঙ্গে মোট ৩৫ হাজার কোটি ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরের পর ট্রাম্প বলেছেন, দিনটি ছিল অসাধারণ। সব চুক্তির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল অস্ত্রচুক্তি যাকে হোয়াইট হাউস যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক অস্ত্রচুক্তি হিসেবে অভিহিত করেছে। অস্ত্রচুক্তির ব্যাপারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন বলেন, এ চুক্তির উদ্দেশ্য হচ্ছে সৌদিরা তাদের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের হুমকি মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এবং অন্যান্য সহযোগিতা সৌদি আরব এবং পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলকে নিরাপত্তা দেবে। বিশেষ করে ইরানের ক্ষতিকর প্রভাবের মুখে এবং ইরানসংক্রান্ত যে হুমকি সৌদি আরবের চারদিকে বিরাজ করছে তার প্রেক্ষাপটে।

এআইএ সম্মেলনে ট্রাম্প ও টিলারসনের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণের মূল কারণ হলো তার অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা। সৌদি আরবসহ অন্য মুসলিম দেশের সামনে ইরানকে হুমকি হিসেবে উপস্থাপিত করে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র ক্রয়ে মুসলিম বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করার কৌশলও বেশ পরিষ্কার। এ সম্মেলনের রাজনৈতিক-অর্থনীতি বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, বৈশ্বিক সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সম্মেলনটি যতটা না তত্পর তার চেয়ে বেশি সচেষ্ট বৃহত্ দেশগুলোর অস্ত্র ব্যবসার মহড়া পরিদর্শনের আনন্দ বিতরণে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিজস্ব ব্যবসায়িক ভঙ্গি আছে, দৃষ্টি আছে, দর্শন আছে। সে দর্শন অনেক মার্কিনি পছন্দ করেন না। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে অনেক বিতর্কিত হয়েছেন। এমতাবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নজিরবিহীন অস্ত্রচুক্তি স্বাক্ষর করে, মুসলিম বিশ্বের কোনো কোনো রাষ্ট্রকে শত্রুরাষ্ট্র হিসেবে মাত্রাতিরিক্তভাবে প্রচার করে মুসলিম বিশ্বের একতা নষ্ট করে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে কার্যকর সাফল্য লাভ করা সম্ভব হবে না।

যে মুহূর্তে এআইএ শীর্ষ সম্মেলন হচ্ছে রিয়াদে সে মুহূর্তে বিশ্বব্যাপী খবর এসেছে ইরানে নম্রপন্থি শান্তিবাদী হাসান রুহানি তেহরানের ক্ষমতায় আরোহণ করেছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ইরানের জনগণ যে ম্যান্ডেট দিয়েছেন, তার একটি প্রমাণ হলো সংস্কারপন্থি, মধ্যপন্থি হাসান রুহানির বিজয় লাভ। তাঁর বিজয়কে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধে ইরানকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা জাগিয়েছে। কোনোভাবে সে সম্ভাবনাকে অবজ্ঞা করা ঠিক হবে না। ইরানের জনগণ যুদ্ধ, সংঘাত দেখে দেখে ক্লান্ত। তারা এখন শান্তিতে বসবাস করতে চান, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির নতুন যুগে প্রবেশ করতে চান। মুসলিম দেশগুলো ইচ্ছে করলে সন্ত্রাসবিরোধী প্রক্রিয়ায় ইরানকেও সঙ্গে নিয়ে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে পারে। মুসলিম বিশ্বের বিভাজনই সিরিয়া, মিসর, ইরাক, লিবিয়াসহ সর্বত্র রাজনৈতিক অস্থিরতা জীবিত রেখেছে। এর কারণে লাভবান হচ্ছে বৈশ্বিক বৃহত্ শক্তিবর্গ। সিরিয়া-ইরাকের যুদ্ধক্ষেত্রে বৃহত্ শক্তিবর্গ তাদের যুদ্ধ-প্রশিক্ষণ, অস্ত্র-পরীক্ষার নৈপুণ্য প্রদর্শন করে নিজেদের সামরিক শক্তির উত্কর্ষ দেখাতে মোক্ষম সুযোগ পাচ্ছে। ফলে মুসলিম বিশ্বের দ্বন্দ্ব সংঘাত দিন দিন বেড়েই চলেছে। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ছাড়া সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ সফল হবে না। এআইএ সম্মেলনে উপস্থিত রাষ্ট্র নেতৃবৃন্দকে এ কথা স্পষ্ট করে বুঝতে হবে। আর এ সমস্যার শেকড়ের সন্ধানে অবশ্যই মুখোমুখি হতে হবে নিজ নিজ বিবেকের।

লেখক: অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

mramin68@yahoo.com







« PreviousNext »

সর্বশেষ
অধিক পঠিত
এই পাতার আরও খবর
ইনফরমেশন পোর্টাল অব বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড -এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রওশন জামান -এর পক্ষে সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান  ও উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ আখতার ইউসুফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত
ইমেইল: info@iportbd.com, বার্তা বিভাগ: newsiport@gmail.com