Saturday, 22 July, 2017, 2:40 AM
Home জাতীয়
নির্বাহী ক্ষমতার ভারসাম্য প্রসঙ্গে
আবদুল লতিফ মন্ডল লিখেছেন যুগান্তরে
Published : Wednesday, 17 May, 2017 at 7:28 PM, Count : 0
গত ১০ মে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তার দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ‘ভিশন-২০৩০’ ঘোষণা করেন। আর্থ-সামাজিক বিষয়ে খালেদা জিয়ার প্রস্তাবাবলীতে তেমন নতুনত্ব না থাকলেও তার সাংবিধানিক সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো সমাজের বিভিন্ন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়েছে। নির্বাহী ক্ষমতায় ভারসাম্য আনয়ন, সংবিধানে গণভোট ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন এবং ন্যায়পাল পদ সৃষ্টির ব্যাপারে বিএনপি চেয়ারপারসন যেমন শর্তহীন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তেমনি তিনি সংবিধানের পঞ্চদশ ও ষষ্ঠদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আনা জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল, সংসদ বহাল রেখে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান, সংবিধানের কিছু বিষয় সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ এবং সংবিধানের কিছু ধারা-উপধারা সংশোধনের অযোগ্য করার বিধান এবং উচ্চ আদালতের বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত করার বিধান পর্যালোচনা ও পুনঃপরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কার আনার কথা বলেছেন। যেহেতু প্রধান নির্বাহী প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে প্রজাতন্ত্রের যাবতীয় কর্মকাণ্ড আবর্তিত হয়, সেহেতু নির্বাহী ক্ষমতার তথা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনার বিষয়টি আলোচনা করাই এ নিবন্ধের উদ্দেশ্য।
খালেদা জিয়া বলেছেন, বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোয় প্রধানমন্ত্রীর একক নির্বাহী ক্ষমতা সংসদীয় সরকারের আবরণে একটি ‘স্বৈরাচারী একনায়কতান্ত্রিক’ শাসনের জন্ম দিয়েছে। তাই বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিদ্যমান ব্যবস্থার অবসানকল্পে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার ক্ষেত্রে ভারসাম্য আনবে। তবে খালেদা জিয়া এ সংস্কারের রূপরেখা দেননি। তাই তার প্রস্তাবিত নির্বাহী ক্ষমতার তথা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য কেমন হবে তা নিয়ে সচেতন জনগণের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বরে গৃহীত বাংলাদশের মূল সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত করা হয়। ওই সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তার কর্তৃত্বে এ সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হবে। তাছাড়া মূল সংবিধানে রাষ্ট্রপতির স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতার সীমারেখা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। ওই সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়, কেবল প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্র ছাড়া রাষ্ট্রপতি তার অন্য সব দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন।
১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় সংসদীয় সরকার পদ্ধতির জায়গায় একদলীয় রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করলে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তৃত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত হয়। এতে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তৃত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত হবে এবং এ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তা প্রত্যক্ষভাবে অথবা তার অধীনস্থ কর্মচারীর মাধ্যমে প্রযুক্ত হবে (চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংশোধিত সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬ (১)। এ ব্যবস্থা ১৯৯১ সালের দ্বাদশ সংশোধনী পর্যন্ত বহাল থাকে। সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তন করা হয় এবং মূল সংবিধানের ৫৫ (২) অনুচ্ছেদ পুনরুজ্জীবিত করে নির্বাহী কর্তৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত করা হয়। তা ছাড়া সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতির স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা সামান্য বাড়িয়ে দেয়া হয়। প্রধান বিচারপতি নিয়োগও রাষ্ট্রপতির স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতার আওতাভুক্ত করা হয় এবং তা এখন পর্যন্ত কার্যকর রয়েছে।
এখন খালেদা জিয়া নির্বাহী ক্ষমতার তথা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনার কথা বললেও গত তিন মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচিত খালেদা জিয়া তার শাসনামলে কখনও এমন কথা বলেননি। শেখ হাসিনাও এযাবৎ তার শাসনামলে নির্বাহী ক্ষমতার তথা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কখনও কোনো বক্তব্য রেখেছেন বলে মনে পড়ে না। তবে সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনার দাবি অনেকবার উঠেছে। ২০১৫ সালের ৬ মার্চ পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউট (পিআরআই) এবং ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্যাল সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশনের (আইপিএসএ) যৌথ উদ্যোগে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘রিথিংকিং ডেমোক্রেটাইজেশন : কনসেনসাস বিল্ডিং ফর রেজাল্টস’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানোর সুপারিশ করেন। তারা মত প্রকাশ করেন, সরকারপ্রধান (প্রধানমন্ত্রী) ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগি করা হলে তা দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী এবং গতিশীল করতে সহায়ক হবে। আমার যতদূর মনে পড়ে, এর আগে ২০০৪ সালের নভেম্বরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে জনপ্রশাসন সংস্কার : বাস্তবায়নযোগ্য কর্মসূচির অন্বেষণে’ শীর্ষক এক সেমিনারে রাষ্ট্রপতিকে সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছিল। এতে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার পুনর্বহাল আইনে [সংবিধান (দ্বাদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯১] রাষ্ট্রপতিকে যেভাবে ক্ষমতাহীন করা হয়েছে, তার নজির পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় নেই। তাই দেশের সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য আনতে প্রয়োজন প্রধানমন্ত্রীর কাছে সব ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত না করে তা যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে বণ্টন করা। তা ছাড়া সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, সাউথ এশিয়ান লিগ্যাল ইন্সটিটিউট, টিআইবি ও সুশাসনের জন্য নাগরিকসহ (সুজন) নাগরিক সমাজের বিভিন্ন ফোরাম অনেকদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনার দাবি জানিয়ে আসছে।
সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। প্রধানমন্ত্রী প্রজাতন্ত্রের প্রধান নির্বাহী। তিনি মন্ত্রিসভার নেতা। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ করেন। তার ইচ্ছানুযায়ী মন্ত্রীরা (‘মন্ত্রী’ বলতে প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীকেও বোঝাবে) নিয়োজিত হন এবং তার সন্তুষ্টির ওপর তাদের মন্ত্রী পদে বহাল থাকা নির্ভর করে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের মধ্যম ও উচ্চ পর্যায়ের পদে পদোন্নতি, পদায়ন তার কর্তৃত্বাধীন। সংসদ নেতা হিসেবে সংসদের কার্যাবলীর ওপর থাকে তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগে তার সুপারিশ অনুযায়ী বিচারক নিয়োগ দেয়া হয়। কেবল প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির নিয়োগ ছাড়া অন্য সব দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন [অনুচ্ছেদ ৪৮(৩)], বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগে রাষ্ট্রপতির কোনো স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা নেই। সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী দল বা জোট যে সংসদ সদস্যকে তাদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেন তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া ছাড়া রাষ্ট্রপতির আর কিছু করণীয় থাকে না। অনুরূপভাবে আপিল বিভাগের যে বিচারককে প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগের জন্য আইনমন্ত্রী সুপারিশ করেন তাকে নিয়োগ প্রদান ছাড়া রাষ্ট্রপতির আর কিছু করণীয় থাকে না। আর আইনমন্ত্রী যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে তার সম্মতিতে প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ প্রেরণ করেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা জোটের নেতা হিসেবে তিনি যাকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দেন জাতীয় সংসদে ক্ষমতাসীন দল বা জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এক কথায়, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সবকিছুই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে আবর্তিত। এ কারণে অনেকে এ ব্যবস্থাকে ‘প্রধানমন্ত্রীর একনায়কত্ব’ বলে অভিহিত করেন।
রাষ্ট্রপতির পদটি আলঙ্কারিক হিসেবে স্বীকৃত। বাংলাদেশে চলমান সংসদীয় সরকার পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি তার সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন থাকেন। বরং বলা যায়, তারা একটু বেশি পরিমাণে সচেতন থাকেন। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সুপারিশকৃত কোনো প্রস্তাবে কোনো পয়েন্টে তথ্য বা স্পষ্টিকরণ চাওয়ার যৌক্তিকতা থাকলেও রাষ্ট্রপতিরা তা করেন না। ফলে কোনো প্রস্তাবে রাষ্ট্রপতির সম্মতি প্রদান নিছক আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমি এটি লক্ষ্য করেছি। একাধিক কারণে এটি হয়ে থাকে। এক. রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে চলবেন মর্মে সাংবিধানিক নির্দেশনা। দুই. ক্ষমতাসীন দল মনোনীত সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হলে তার পক্ষে দলীয় প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করা সম্ভব হয় না। তিন. নব্বইয়ের দশকে বিএনপির শাসনামলে একজন রাষ্ট্রপতি কিছুটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে গিয়ে কীভাবে নাজেহাল হন এবং ইমপিচমেন্টের ভয়ে ক্ষোভে-দুঃখে পদত্যাগ করেন সেটি স্মরণে রেখে আর কোনো রাষ্ট্রপতি ক্ষমতাসীন দল বা জোটের বিরাগভাজন হতে চান না।
বাংলাদেশের এককেন্দ্রিক চরিত্র অক্ষুণ্ণ রেখে সরকারপ্রধান তথা প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী ক্ষমতা হ্রাস করা মোটেই সহজসাধ্য কোনো বিষয় নয়। এখানে প্রাদেশিক সরকারব্যবস্থা না থাকায় সরকার প্রধানকে পুরো দেশের খুঁটিনাটি বিষয়েও খোঁজখবর রাখতে হয়। ফেডারেল পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাদেশিক সরকার অনেক বিষয় নিয়ন্ত্রণ করায় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী ক্ষমতা এমনিতেই হ্রাস পায়। আমাদের পার্শ্ববর্তী প্রায় সব দেশে ফেডারেল সরকারব্যবস্থা চালু রয়েছে। আমাদের দেশে জাতীয় পার্টি ছাড়া আর কোনো রাজনৈতিক দলকে প্রাদেশিক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনের পক্ষে মত প্রকাশ করতে দেখা যায় না। ষোলো কোটি মানুষের দেশে প্রাদেশিক সরকারব্যবস্থা চালু করা এখন সময়ের দাবি। তাই বিষয়টি নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।
বিএনপি কীভাবে নির্বাহী ক্ষমতায় ভারসাম্য আনবে তা দলটির ‘ভিশন-২০৩০’তে বলা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতা বণ্টন করে তারা এটি করার চিন্তা করতে পারে। তবে তাতে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা কোনো প্রকার চাপের মুখে পড়বে কিনা সেটি ভেবে দেখতে হবে। মোদ্দা কথা, বিএনপি যেভাবেই নির্বাহী ক্ষমতায় ভারসাম্য আনতে চায় তা জনগণকে বিস্তারিতভাবে জানাতে হবে। জনগণ তা জানার পর বিএনপির প্রস্তাব সমর্থন করবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
আবদুল লতিফ মন্ডল : সাবেক সচিব, কলাম লেখক
latifm43@gmail.com









« PreviousNext »

সর্বশেষ
অধিক পঠিত
এই পাতার আরও খবর
ইনফরমেশন পোর্টাল অব বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড -এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রওশন জামান -এর পক্ষে সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান  ও উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ আখতার ইউসুফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত
ইমেইল: info@iportbd.com, বার্তা বিভাগ: newsiport@gmail.com