Monday, 18 November, 2019, 6:56 AM
Home জাতীয়
সামাজিক ব্যাধির মূল উৎস সীমাহীন লোভ
অরুণ কুমার বসাক লিখেছেন যুগান্তরে
Published : Tuesday, 16 May, 2017 at 12:00 AM, Update: 17.05.2017 1:33:34 AM, Count : 1
আমাদের দেশে অবক্ষয় এখন সর্বস্তরে বিদ্যমান। এর কারণ আমাদের মিশ্র মানসিকতা। আমরা প্রায় প্রত্যেকেই মুখ্য বা গৌণভাবে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতে বাধ্য হচ্ছি। বিশ্বায়নের যুগে আমরা বিভিন্ন দেশের জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচিত হচ্ছি। এতে আমাদের মাইন্ডসেটের পরিবর্তন হওয়া স্বাভাবিক। আমাদের আদি মানসিকতা ‘সাধারণ জীবনযাপন ও উচ্চতর চিন্তাভাবনা’ আর আমরা ধরে রাখতে পারছি না। উন্নত দেশগুলোর জীবনযাত্রার মান আমাদের মানসিকতাকে এলোমেলো করে দিচ্ছে। উন্নত দেশগুলোর উন্নয়নের কারণ সেখানকার জনগণের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গুণ আছে। যেমন- ক. মিথ্যা কথা না বলা, খ. নকল না করা, গ. সৃজনশীল হওয়া এবং ঘ. খুব পরিশ্রম করা। এ গুণগুলো অর্জন করতে হয় প্রাইমারি প্রশিক্ষণ থেকে। আমাদের দেশে সর্বস্তরের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় এ গুণগুলোকে যথাযথভাবে লালন কিংবা মূল্যায়ন করা হয় না। ফলে শিক্ষায়তনগুলোয় ‘কোয়ালিটি’ প্রশিক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কোয়ালিটি মানবশক্তি কিংবা কোয়ালিটি পণ্য-উৎপাদন আশানুরূপভাবে হচ্ছে না। মানবশক্তি কিংবা উৎপাদিত পণ্য রফতানিতে বিশ্ববাজারে আমরা সম্যকভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারছি না। তাই বিদ্যমান আর্থিক অনটনের মধ্যে আমাদের উন্নত জীবনযাত্রার চাহিদার কারণে দেশে প্রায়ই অস্থিরতা বিরাজ করে। তদুপরি আমাদের সাংস্কৃতিক কাঠামোতে বাল্যকাল থেকে সমাজ আরোপিত বিধিনিষেধের প্রভাবে আমরা অনেকেই মুক্ত চিন্তাভাবনায় দুর্বল হয়ে পড়ি বা বিভ্রান্তিতে পড়ি। এ অবস্থায় সার্বিকভাবে আর্থ-সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংকটে দিশাহারা হয়ে আমরা প্রায়ই ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছি এবং দেশের উন্নয়নে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বা ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হচ্ছি। বর্তমান অবস্থায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রার মান বাড়ছে, কিন্তু সে অনুপাতে আমাদের মানসম্মত উৎপাদনমুখী আয় বাড়ছে না। ফলে আমাদের বিদেশের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, শৃঙ্খলিত হচ্ছি আমরা।
দেশে জীবনযাত্রার মান, গড় আয়ু, শিক্ষার হার বেড়েছে। ডিজিটাল যোগাযোগ সুবিধার কারণে গবেষণাও বেড়েছে। কিন্তু বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে মানের গবেষণা কাজ হতো, তার ধারেকাছে আমরা যেতে পারছি না। উন্নত বিশ্বের তুলনায় আমরা ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছি। ১৯৪৭ সালে আমাদের ও ভারতের শিক্ষা-গবেষণার মান একই ছিল। এখন ভারতের তুলনায়ও অনেক পিছিয়ে পড়েছি আমরা। আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ও আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় উপমহাদেশে বিজ্ঞান জাগরণের অগ্রদূত। দু’জনেই আমাদের মাটির মানুষ। আমরা তাদের উত্তরসূরি হয়েও কেন পিছিয়ে পড়ছি? শিক্ষাক্ষেত্রে আমাদের দীর্ঘকালের অবহেলা ও নৈরাশ্য এর জন্য মূলত দায়ী। অন্যদিকে রাজনীতির নামে দলবাজি ও মিথ্যাচার আমাদের মাঝে পারস্পরিক অবিশ্বাস ও অশ্রদ্ধার জন্ম দিয়েছে। নৈরাশ্যজনক পরিস্থিতির মোকাবেলা করার জন্য জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ প্রণীত হয়েছে। কিন্তু আমাদের পারস্পরিক অবিশ্বাস ও অসহযোগিতার কারণে এর বাস্তবায়ন অত্যন্ত দুরূহ।
শিক্ষাঙ্গনে আমাদের সংকট, আমরা শিক্ষকরা জ্ঞানদান করছি কিন্তু শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞান সৃষ্টি করতে পারছি না। এর কারণ- ক. আমরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘শেখার আনন্দ’ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হচ্ছি, খ. আমরা ভালোকে ভালো, মন্দকে মন্দ বলছি না, গ. সর্বস্তরে দীর্ঘকাল ধরে দুর্বল শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে, ঘ. পরীক্ষা পদ্ধতি সঠিক হচ্ছে না এবং ঙ. শিক্ষক ও কর্মকর্তাসহ সব রকম কর্মচারীর নিয়োগে নির্বাচন পদ্ধতি যুগোপযোগী হচ্ছে না। যারা ভালো তারাও নানা কারণে নিষ্ঠাবান হতে পারছেন না।
সমাজে সর্বব্যাধির মূল উৎস আমাদের সীমাহীন লোভ। লোভ সংবরণ করতে প্রয়োজন ‘আধ্যাত্মিকতা’কে আয়ত্ত করা। আধ্যাত্মিকতা শব্দটি ধর্মভিত্তিক। কিন্তু এর ব্যাপক অর্থ ‘জাগতিক লোভ’কে সংযত করা ধরলে আধ্যাত্মিকতা অর্জনের প্লাটফরম হতে পারে ধর্ম, রাজনীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। প্রয়োজন যথার্থ পঠন ও পাঠন। পরিতাপের বিষয়, দেশে সাধারণভাবে এর কোনোটিতেই শিক্ষাদান ও শিক্ষা গ্রহণ সঠিকভাবে হচ্ছে না। আধ্যাত্মিক ব্যক্তিদের মুক্তমন থাকে অর্থাৎ তাদের চিত্ত শুদ্ধ থাকে। মুক্তমনের ব্যক্তিরা বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। চিত্ত-শুদ্ধ ব্যক্তি বাস্তব জ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার যথাযথ সংমিশ্রণ প্রয়োগ করে মহীয়ান বা মহীয়সী হতে পারেন। কারণ এর শক্তি অসীম।
শিক্ষক, গবেষক, রাজনৈতিক নেতা, খেলোয়াড়, সাহিত্যিক, আধ্যাত্মিক নেতা, ধর্মীয় নেতা, ব্যবসায়ী- যাই বলি না কেন, সফল হতে হলে মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন হতে হবে। বাউল সম্রাট লালন শাহ, বিশ্বখ্যাত দার্শনিক লিও টলস্টয়, জর্জ বার্নার্ড শ, বারট্রান্ড রাসেল, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালাম, দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান এবং স্বশিক্ষিত দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন মহান ব্যক্তি ছিলেন। এ ছাড়া আহছানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠাতা প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সমাজ-সংস্কারক ও আধ্যাত্মিক নেতা খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ (র.) এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. শেখ গোলাম মকসুদ হিলালী প্রণীত পুস্তকাদি পড়লেই স্পষ্ট হয় তারা মুক্তমনসম্পন্ন এবং মানবকল্যাণে নিবেদিত ছিলেন। ভিন্নমতকে অশ্রদ্ধা করেননি।
যে দেশে শিক্ষার মান ভালো সে দেশ সমৃদ্ধ। এক সময় ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণা পদ্ধতি শ্রেষ্ঠ ছিল বলেই তাদের সাম্রাজ্যে সূর্য অস্ত যেত না। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পৃথিবীর সর্বোচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন আবেদনকারীদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে বলে দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষক নিয়োগ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হয়ে থাকে। উন্নত বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষকদের পারফরম্যান্স ধারাবাহিকভাবে মনিটর করা হয় এবং সে অনুসারে পুরস্কার বা তিরস্কার প্রদান করা হয়ে থাকে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করে পঠন-পাঠন ও গবেষণার ক্ষেত্র। আমাদের দেশে জলবায়ু কৃষিবান্ধব এবং জনসংখ্যার আধিক্যের কারণে মানবশ্রম সস্তা। সুতরাং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নত মানের হস্তশিল্প এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পর্কিত গবেষণার বিকাশে যথোপযুক্ত শিক্ষা কারিকুলাম (সিলেবাস) প্রণয়ন করা প্রয়োজন। মানসম্পন্ন গবেষণা, উপযুক্ত সিলেবাস প্রণয়ন এবং কার্যকর প্রশিক্ষণের জন্য অত্যাবশ্যক- ক. উপযুক্ত মানের শিক্ষক, খ. যথোপযুক্ত পরিবেশ এবং গ. জবাবদিহিতা। তবে অন্য দেশের কারিকুলাম হুবহু আমাদের জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে। আমরা শুধু দিকনির্দেশনা পেতে পারি।
আধুনিক বিজ্ঞানসহ সব রকমের শিক্ষা ও গবেষণা বহুমুখী বিধায় আমাদের আরেকটু তলিয়ে দেখা দরকার। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটা উক্তি স্মরণ করছি- ‘গণিতের ছন্দ সমগ্র প্রকৃতির মধ্যে নিহিত আছে।’ ছন্দের বিভিন্ন স্বরূপ : সঙ্গীতে ছন্দ, গণিত ও ভৌতবিজ্ঞানে প্রতিসাম্য, আইন ও ধর্মে শৃঙ্খলা, সাহিত্যে হৃদয়গ্রহীতা এবং জীববিজ্ঞানে প্রজাতি- সবই সমার্থক। সঙ্গীতের ছন্দ একঘেয়েমির অবসান করে নতুন উদ্দীপনা জাগায়। একঘেয়েমিজাত ক্লান্তি দূর করার জন্যই আমাদের বিভিন্ন ছন্দে চলাফেরা করা দরকার। মোগল সম্রাট আকবরের দরবারে নবরত্নের এক রত্ন ছিলেন বিখ্যাত উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত-গায়ক ‘মিয়া (পণ্ডিত) তানসেন’। কথিত আছে, তিনি ‘মেঘ মল্লার রাগ’ দিয়ে বৃষ্টি ঝরাতে পারতেন। অন্যদিকে বিশ্ববরেণ্য পরিসংখ্যানবিদ প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিস বলেছেন, ‘‘সঙ্গীতের তাল প্রকৃতিতে ‘মিল’-এর সন্ধান দেয়।’’ পদার্থবিজ্ঞানী মহলানবিস লন্ডনে গিয়ে ‘বাইয়োমেট্রিকা’ জার্নাল পড়ে পরিসংখ্যানের আকাশচুম্বী প্রয়োগ-শক্তি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। তার যুগান্তকারী আবিষ্কার ‘মহলানবিস ডিস্ট্যান্স’ নৃবিজ্ঞানে, রোগনিদানে, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে, অর্থনৈতিক সূচক-নির্ণয়ে, কৃষি উৎপাদনে, শিল্প-সূচক নিরূপণে, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়নে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। ‘তাল’ এক ব্যক্তির মধ্যে বহুবিধ প্রতিভার জন্ম দেয়। এর জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন বহুদর্শী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি। তিনি বিভিন্ন ছন্দে চলাফেরা করে কলা, বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও চিকিৎসাসহ সবক্ষেত্রে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। দর্শন ছন্দ ও তালের সমন্বিত একটি বিষয়, তাই শক্তিশালী। আধুনিক দর্শন যুক্তিভিত্তিক। এর প্রভাবে জ্ঞান-বিজ্ঞানে জাগরণ ঘটেছে এবং বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিশালতা ও সূক্ষ্মতা প্রতিভাত হয়েছে। আমাদের দেশের অতীতকালের গুরুগৃহের শিক্ষা আজ পাশ্চাত্যের ল্যাব ও পার্লার আলোচনায় রূপ নিয়েছে।
দর্শন সভ্যতার চাবিকাঠি। দর্শনের আদর্শ সব বিষয়ের জ্ঞানচর্চার শক্তি জোগায় এবং গবেষণার দ্বার উন্মুক্ত করে। বিশেষ করে দর্শন বিজ্ঞানসহ সব গবেষণার শিকড়। অর্থনীতিতে ১৯৯৮ সালে নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে যুগপৎ অর্থনীতি ও দর্শনের প্রফেসর। ক্যামব্রিজে থাকাকালীন প্রফেসর সেন নিজের গবেষণায় ধ্যান-ধারণাকে প্রসারিত করার লক্ষ্যে দর্শনে পড়াশোনা করেছিলেন। পরম পরিতাপের বিষয়, দর্শন আজ আমাদের দেশে অত্যন্ত অবহেলিত, যা আমাদের দুরবস্থার জন্য অনেকাংশে দায়ী।
ইদানীং সমগ্র দেশে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং সুদূর পল্লী অঞ্চলে বৈদ্যুতিক আলোর প্রভাবে জনজীবনে স্বাচ্ছন্দ্য এসেছে। উন্নয়নের এ গতিকে ধরে রাখতে প্রয়োজন আমাদের চিত্ত-শুদ্ধি ও সহযোগিতা। কিন্তু মানুষের মধ্যে অবিশ্বাস বেড়েই চলেছে। শিক্ষার পরিবেশ ও আমাদের পরিশ্রমবিমুখতা এজন্য দায়ী। খোদ রাজধানীর কঠোর জীবনযাপন ও প্রতিযোগিতা এখানকার বাসিন্দাদের কিছুটা কর্মমুখর হতে বাধ্য করে। তাছাড়া এখানে আন্তর্জাতিক বহুবিধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণের সচেতনতা কিছুটা জাগ্রত থাকে। এতদসত্ত্বেও ঢাকায় সর্বক্ষেত্রে আশানুরূপ শিক্ষা ও গবেষণার মান বজায় থাকছে না। ঢাকার বাইরে জীবনযাপন অপেক্ষাকৃত সহজ ও চিত্ত-বিক্ষেপ কম। সেখানকার প্রকৃতিগতভাবে শান্ত পরিবেশ পঠন-পাঠন ও গবেষণার জন্য অনেক বেশি উপযুক্ত। এ কারণে ডিজিটাল ব্যবস্থার সুবাদে ময়মনসিংহস্থ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে অনেক উচ্চে স্থান করে নিয়েছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ও যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে। রাজশাহীতে শান্ত পরিবেশ এবং সস্তা জীবনযাপন থাকা সত্ত্বেও এখানকার মানুষ এর উপযুক্ত সদ্ব্যবহার করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এখন আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য হবে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়ে সমস্যার মোকাবেলা করা। কৃচ্ছ্রসহ সরল জীবনযাপন করে আমাদের প্রজন্মকে কষ্ট করার শিক্ষাদান করা। তবেই আমাদের সন্তানরা উপযুক্ত শিক্ষা গ্রহণ করতে সক্ষম হবে। তারা আমাদের ভবিষ্যৎ পতাকাবাহক। বিশ্ব প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করে তারা এ অঞ্চলকে গর্বিত করুক। এতেই আমরা পাব নির্মল আনন্দ।
অরুণ কুমার বসাক : প্রফেসর ইমেরিটাস, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়








« PreviousNext »

সর্বশেষ
অধিক পঠিত
এই পাতার আরও খবর
ইনফরমেশন পোর্টাল অব বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড -এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রওশন জামান -এর পক্ষে সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান  ও উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ আখতার ইউসুফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত
ইমেইল: [email protected], বার্তা বিভাগ: [email protected]