Saturday, 22 July, 2017, 2:36 AM
Home জাতীয়
ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবেন ট্রাম্প?
মুহাম্মদ রুহুল আমীন লিখেছেন যুগান্তরে
Published : Sunday, 14 May, 2017 at 3:16 PM, Count : 18
ক’দিন আগে মার্কিন জনগণ তাদের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতায় আরোহণের প্রথম একশ’ দিন উদযাপন করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসে ‘মধুচন্দ্রিমা’ হিসেবে পরিচিত। একজন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে দেশ ও বিশ্ববাসীর থাকে বুকভরা প্রত্যাশা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ট্রাম্পের শতদিনে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির পার্থক্য অনেক বেশি। অবদান বিশ্লেষণ ও ফলাফল নির্ণয়ে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে সবচেয়ে কম নম্ব^র পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও রণকৌশলগত বিষয়ে তিনি সবাইকে নিরাশ করেছেন। সবাই এখন তার ওপর অসন্তুষ্ট, বিরক্ত, ক্ষিপ্ত। এমনকি তার নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির সর্বস্তরের নেতাকর্মী এখন দিশেহারা ও কিংকর্তব্যবিমূঢ়। ইতিমধ্যে অনেক বিশেষজ্ঞ, অধ্যাপক ও ভবিষ্যৎ বক্তা পূর্বাভাস দিয়েছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প শিগগিরই অভিশংসিত হবেন। কাজেই এ মুহূর্তে নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, ট্রাম্পের মধুচন্দ্রিমা মধুময় হয়ে ওঠেনি।
শতদিনের স্মৃতিচারণে ট্রাম্প অকপটে স্বীকার করেছেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগের মুক্ত জীবনের দিনগুলো তার অনেক ভালো ছিল। তার শতদিন যে সুখকর ছিল না, একথা তার স্বীকৃতিতে স্পষ্ট হয়েছে। আগে মন চাইলে তিনি ছুটে যেতেন গল্ফ ক্লাবে, ডুবে থাকতেন সাঁতার ঘরে; কিন্তু চার দেয়ালঘেরা নি-িদ্র শ্বেতগৃহের বন্দিদশা তার জীবনের শেষ স্বাচ্ছন্দ্যটুকু যেন কেড়ে নিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তার সবচেয়ে বড় অবদান হল, তিনি শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের অসন্তোষ ও ক্ষোভ অনুধাবন করতে পেরেছেন। জনপ্রিয় স্লোগানের মাধ্যমে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব ও চেতনাকে মূলধারার জনগণের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবিষ্ট করাতে সক্ষম হয়েছেন। রাজনীতিতে নবিস ও আগন্তুক হিসেবে ট্রাম্পের ধারণা ছিল, রাষ্ট্র নেতৃত্বের এ গুরুদায়িত্ব তার সমুদ্রভ্রমণের মতোই সহজ ও আনন্দময় হবে। কিন্তু শতদিন পর তিনি নিশ্চিত হয়েছেন, এ পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়, কণ্টকাকীর্ণ ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ। বেকারত্বের অবসানে তিনি কিঞ্চিৎ সফল হয়েছেন, তা-ও কেবল সাদা মানুষদের বেলায়। কিন্তু কালো, হিসপানিক, মেক্সিকান, এশীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকানদের মাঝে সর্বব্যাপী অস্থিরতা ছড়িয়ে দিয়েছেন। ‘আমেরিকা ফার্স্ট’- এই নির্বাচনকালীন জনপ্রিয় প্রচারণা শেষ পর্যন্ত তলাবিহীন ঝুড়ির মতো নির্বাচনপূর্ব গাল-গপপো হিসেবে অন্তঃসারশূন্য স্লোগানে পরিণত হয়েছে। মূলধারার শ্বেতাঙ্গ জনগণকে প্রথম দিনের নবোদ্দীপনায় উজ্জীবিত করতে তিনি সক্ষম হয়েছিলেন; কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে চেতনা উবে গিয়ে ট্রাম্পীয় উন্মাদনার নতুন যুগ সৃষ্টি হয়েছে।
সামাজিক ক্ষেত্রে তার অর্জন তাই সামান্যই। এক্ষেত্রে সবচেয়ে মারাত্মক ক্ষত তৈরি করেছেন তিনি নিজেই। হঠাৎ করে সবাইকে বোবা-বোকা বানিয়ে তিনি আমেরিকায় সম্পদ বিভাজনের বিষপাষ্প ছড়িয়ে দিয়েছেন। বহু জাতি, বহু ধর্ম, বহু সংস্কৃতি তথা বহুত্ববাদের ওপর ভিত্তি করে যে শক্তিশালী রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন করেছিলেন আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতা-পিতারা, তা আজ নড়বড়ে হওয়ার পথে। ‘বহুত্বের মধ্যে একতার’ চেতনায় গড়ে উঠেছিল যে আমেরিকান সংস্কৃতির বিরাট ক্যানভাস, তা আজ যেন ছিন্নভিন্ন হতে চলেছে। বহু মত-পথের অজস শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত করে দৃঢ়মূলে দাঁড়িয়ে ছিল যে জাতীয় পরিচয়ের বিশাল মহীরুহ, তা যেন আজ মুখ থুবড়ে পড়ছে। সাম্প্রতিক ইতিহাসে এই প্রথমবার আমেরিকার নতুন প্রজন্ম ‘আমরা’, ‘তারা’, ‘সাদা’, ‘কালো’, ‘আদি’, ‘অভিবাসী’ ইত্যাদি পরিচয়ে বিভক্ত হচ্ছে। স্বাধীনতার ভাস্কর্য বা স্ট্যাচু অব লির্বাটির হাত যেন কেঁপে উঠছে!
সমাজ-নৃবিজ্ঞানীদের মতে, সামাজিক বিভক্তি জাতীয় উন্নতিকে এমনভাবে থমকে দেয় যে, বিভক্ত জাতি অতিদ্রুত ধ্বংসের অতল গহ্বরে তলিয়ে যায়। জাতীয় ঐক্য হল একটি জাতির উন্নতির সোপান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঐক্য আজ ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ধর্ম, এলাকা, আদি নিবাস, ভাষা, গোষ্ঠী ইত্যাদি বিবেচনায় যদি আমেরিকা বিভক্ত হতে থাকে, তাহলে এ শতাব্দীর কোনো এক সময় পৃথিবীর মহাপরাক্রমশালী এ দেশটি তার শৌর্য-বীর্যের সিংহভাগ হারিয়ে ফেলবে। রয়টার্স/ইপসোসের জরিপ অনুযায়ী, এ জাতিগত বিভক্তি আমেরিকার ঐক্য চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবে।
ট্রাম্প ক্ষমতায় আরোহণ করেই যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম প্রবেশের বাধাসংক্রান্ত আদেশ জারি করে জাতিগত বিভক্তির সূচনা করেছিলেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মতে, ট্রাম্পের এ আদেশ আমেরিকার মূল্যবোধবিরোধী। নিউইয়র্কের ফেডারেল বিচারপতি এবং ওয়াশিংটনের ফেডারেল বিচারালয় ট্রাম্পের মুসলিমবিদ্বেষী এ নীতিকে আংশিক সংবিধানবিরোধী ও বৈষম্যমূলক হিসেবে বিবেচনা করছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এ আইন শুধু একটি বিশেষ ধর্মের নাগরিকদেরই বিপদসংকুল করবে না, বরং আমেরিকার সব সামাজিক গোষ্ঠীর নিরাপত্তাকে করবে বিঘ্নিত। এ কারণে প্রেসিডেন্টের আদেশ অস্বীকার করে তখনকার দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্যালি ইয়েট্স পদত্যাগ করেছিলেন। ক্রোধান্বিত প্রেসিডেন্টের ঔদ্ধত্যপূর্ণ উক্তি ‘আমরা তাদের এখানে দেখতে চাই না’ আমেরিকাসহ বিশ্ববাসীকে অবাক করেছিল। বৈশ্বিক উষ্ণতার ভয়াবহ বিপদের মাঝে বারাক ওবামার পরিবেশনীতি প্রত্যাখ্যান করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেকে বিশ্ব দরবারে পরিবেশবিরোধী হিসেবে পরিচিত করেছেন। ওবামার পরিবেশনীতি বিশ্ববাসীকে স্বস্তি দিয়েছিল। ট্রাম্পের পরিবেশবিরোধী নীতির কারণে বিশ্ববাসীর কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হচ্ছে। ট্রাম্পের নীতি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্যও ক্ষতিকর প্রমাণিত হচ্ছে। বিশেষত প্রযুক্তি শিল্পের জন্য তিনি বেশ ঝুঁকি তৈরি করেছেন। দৃষ্টান্তস্বরূপ, অ্যাপলের সিইও টিম কুক ট্রাম্পকে তাদের দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে বড় বাধা হিসেবে অভিহিত করেছেন। ফেসবুকের মার্ক জুকারবার্গ মন্তব্য করেছেন, দেশের অর্থনীতির ক্ষতিসাধন করে ট্রাম্প আমেরিকানদের বিরাগভাজন হয়েছেন। সামাজিক বিভাজনে আরও অবদান রেখেছে প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্যনীতি। ওবামা কেয়ার বাতিল করে অধিকাংশ মানুষকে তিনি অসন্তুষ্ট করে তুলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের চিরায়ত মিত্র পশ্চিম ইউরোপ নতুন প্রেসিডেন্টের প্রতি খুবই অসন্তুষ্ট। ইইউ প্রধান ডোনাল্ড টাস্ক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে তার বিরুদ্ধে ইউরোপকে একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রধান ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতিকে বেআইনি ও নিন্ম মানসম্পন্ন হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কয়েক মাস আগে লাখ লাখ ব্রিটিশ নাগরিক ট্রাম্পবিরোধী গণস্বাক্ষর গ্রহণ করে ব্রিটেনে ট্রাম্পের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছিলেন। ভ্যাটিকান গুরু বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
প্রথমদিকে মনে হয়েছিল, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বরাজনীতি ও নিরাপত্তা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। অন্যত্র আমেরিকার হস্তক্ষেপ সীমিত হবে বলেও অনেকে ভেবেছিলেন। কিন্তু ট্রাম্প অচিরেই বিশ্বকে শাসানো শুরু করলেন। আমেরিকার সেনাবাহিনী এবং অস্ত্রভাণ্ডার আরও শাণিত করে এবং পূর্ব ইউরোপে সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়ে তিনি বিশ্ব নিরাপত্তার ব্যাপারে নতুন দুশ্চিন্তার জন্ম দিলেন। সাবেক সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ পূর্ব ইউরোপে মার্কিন সৈন্য এবং এর বিপরীতে রাশিয়ার সৈন্য ও অস্ত্র প্রস্তুতিকে বিশ্বের জন্য সর্বাত্মক যুদ্ধ হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছেন। গত মাসে সিরিয়ায় টমাহক হামলা চলিয়ে, আফগানিস্তানে মোয়াব বোমা বর্ষণ করে এবং সর্বোপরি প্রশান্ত মহাসাগরে কোরীয় উপদ্বীপ এলাকার জলভাগে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে রণতরী ও অস্ত্রসজ্জিত সাবমেরিন পাঠিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে সম্ভাব্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মুখে ঠেলে দেন। উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে আঞ্চলিক ও বিশ্বশক্তিগুলো দৃশ্যত দুটি পরস্পরবিরোধী যুদ্ধ শিবিরে বিভক্ত হয়ে বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে অবস্থান করছে। এর একদিকে রয়েছে রাশিয়া, চীন, ইরান ও উত্তর কোরিয়া এবং অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান।
বৈশ্বিক আর্থ-সামাজিক, পরিবেশ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যুতে ভেতরে-বাইরে অসন্তোষ তৈরি করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কার্যত নিজেকে একজন অযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে প্রতিপন্ন করেছেন। বিশেষ করে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে যে তিনি সফল হবেন না, তা ইতিমধ্যেই বোঝা গেছে। যে ধরনের ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রবাসী তাদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে, ট্রাম্পের ভেতর তেমন নেতৃত্ব অনুপস্থিত বলে মনে করছে আমেরিকানরা। প্রত্যেক আমেরিকান প্রত্যাশা করে প্রেসিডেন্ট হবেন তাদের মনের মতো- প্রত্যেক নাগরিকের স্বপ্ন-সাধ-ইচ্ছা যিনি স্পর্শ করতে পারবেন। কিন্তু বেদনাদায়ক হল, বর্তমান প্রেসিডেন্ট তার নিজের দলের মধ্যেও সর্বগ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেননি। যুক্তরাষ্ট্রের জরিপ পরিসংখ্যান বলছে, তার সমর্থকরা এখনও তার সঙ্গে রয়েছেন; তবে এ আবেগ যে খুব দীর্ঘস্থায়ী হবে না, তা এ মুহূর্তে বলা যায়।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, খুব শিগগিরই তিনি অভিশংসিত হবেন। নির্বাচনের আগে যে ভবিষ্যৎ বক্তা বলেছিলেন ট্রাম্প বিজয়ী হবেন এবং যাকে প্রেসিডেন্ট স্বয়ং পুরস্কৃত করেছিলেন, তিনিও সাম্প্রতিক এক ভবিষ্যদ্বাণীতে ট্রাম্পের সম্ভাব্য অভিশংসনের কথা বলেছেন। বিশ্ববাসীকে একটি সুনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে সত্যটি জানার জন্য।
ট্রাম্প কি সত্যিই অভিশংসিত হবেন? নাকি তিনি তার পাহাড়সম ভুলগুলো শুধরে নিয়ে নতুনভাবে অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতি ঢেলে সাজাবেন- সে প্রশ্নের উত্তর জানতে সবাই আগ্রহী। আমাদের প্রত্যাশা, নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্বীয় জনগণ ও বিশ্ববাসীর নাড়ির স্পন্দন অনুভব করবেন এবং বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার জন্য স্থিতিশীল যুক্তরাষ্ট্রের অপরিহার্যতা উপলব্ধি করবেন। যদি এক্ষেত্রে তিনি সফল হন, তাহলে সফল প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি বিশ্বনন্দিত হবেন। আর তার ব্যর্থতা বিশ্বকে কেবল অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকেই ঠেলে দেবে।
মুহাম্মদ রুহুল আমীন : অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
mramin68@yahoo.com









« PreviousNext »

সর্বশেষ
অধিক পঠিত
এই পাতার আরও খবর
ইনফরমেশন পোর্টাল অব বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড -এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রওশন জামান -এর পক্ষে সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান  ও উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ আখতার ইউসুফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত
ইমেইল: info@iportbd.com, বার্তা বিভাগ: newsiport@gmail.com