Sunday, 19 November, 2017, 3:23 AM
Home অর্থনীতি
ক্ষুদ্র ঋণে আত্মকর্মসংস্থান এবং বাস্তবতা
ড. মীজানুর রহমান লিখেছেন ইত্তেফাকে
Published : Sunday, 14 May, 2017 at 2:28 PM, Count : 13
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে আমাদের দেশে বহু বছর ধরেই কাজ হচ্ছে। সরকারি, বেসরকারি এমনকি ব্যক্তি পর্যায়েও বিষয়টি নিয়ে কাজ হচ্ছে। এটাকে আজকাল আবার কেউ কেউ স্ব-উদ্যোগ বলেও অভিহিত করেন। তবে, যে নামেই ডাকা হোক না কেন মূল লক্ষ্য একটিই। আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিজে করাকেই আত্মকর্মসংস্থান বলে। প্রত্যেকে যেন চাকরির পেছনে না ছুটে বা চাকরির খোঁজ না করে সে জন্যই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির কাজটি করা হয়। অনেকে আবার এই ভাবনাটিকে গতিশীল করার জন্য নানা প্রকার সুপারিশও দিয়ে থাকে। তবে, বিষয়টি নিয়ে আমার একটু ভিন্ন মত রয়েছে। কারণ, সবাইকে উদ্যোক্তা তৈরির চেষ্টা করার আগে বুঝতে হবে সকলে আসলে উদ্যোক্তা হতে পারবে কিনা। আবার, আমরা যেরকম ঢালাওভাবে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আহবান করি, বিভিন্ন প্রকার উপদেশ দেই সেটাও সকল দিক চিন্তা করে দেই কিনা তাও ভেবে দেখা প্রয়োজন। কারণ, যা আমরা বলি বা যা দেখতে চাই বাস্তবতা তার সাথে অনেকটা ভিন্ন চিত্র প্রকাশ করে।

আজ থেকে প্রায় ২০-২৫ বছর আগে বাংলাদেশে আয়ারল্যান্ড ভিত্তিক কনসার্ন নামক একটি এনজিও মূলত দুস্থ মহিলাদের নিয়ে কাজ করত। দুস্থ বলতে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় যারা ছিল তাদের নিয়েই প্রতিষ্ঠানটি কাজ করত। এই তালিকার মধ্যে ছিল যারা স্বামী কর্তৃক বিতাড়িত, বিধবা, গৃহহীন, আশ্রয়হীন এবং যাদের সত্যিকার অর্থেই কোনো কিছু করার ক্ষমতা নেই এমন সব নারী। এই সব নারী ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবন-যাপন করতেন। ওই সময়ে কনসার্নের কিছু প্রকল্প আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছিলাম। ইউএনডিপির অর্থায়নে একটি গবেষণা প্রকল্প ছিল। আমি ওই প্রকল্পের সাথে যুক্ত ছিলাম। ফলে প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক কার্যক্রম আমার দেখার সুযোগ হয়েছিল।

কনসার্ন নামের ওই এনজিও প্রতিষ্ঠানটি দুস্থ মহিলাদের তাদের সেন্টারে নিয়ে আসতো। কারো শিশু সন্তান থাকলে ওদেরকেও সঙ্গে নিয়ে আসা হতো। তারপর কয়েক মাস ওই সেন্টারে রাখার ব্যবস্থা করত। এটি তিন মাস, চার মাস এমনকি বার মাসও হতো। এনজিও’র পক্ষ থেকে দুস্থদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হতো। বাচ্চাদের থাকা-খাওয়ার পাশাপাশি পড়ালেখা শেখানো হতো। আর মহিলাদের বিভিন্ন প্রকার বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। চানাচুর বানানো, মুড়ি ভাজা, ঠোঙ্গা বানানো, বাঁশ ও বেতের পণ্য তৈরি, হাতের কাজ, কাঁথা সেলাইসহ আরো নানা রকম কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর ব্যবসা শুরুর জন্য মূলধনও দিত। তারপর তাদেরকে নিজ উদ্যোগে ব্যবসা করে জীবন ও জীবিকা নির্বাহ করতে বলত। তখন তাদের আর ওই সেন্টারে রাখা হতো না। শুধু প্রশিক্ষণ ও মূলধন দিয়েই বিদায় করত না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের কাজ করার জন্য যেসব যন্ত্রপাতি বা উপকরণ প্রয়োজন হতো সেগুলোও দিয়ে দিত। এতসব দেওয়ার পরেও এক বছর বা সর্বোচ্চ দেড় বছর পর তারা আবার তাদের আগের কাজে ফিরে যেত। অধিকাংশই ভিক্ষাবৃত্তিকে বেছে নিত। অর্থাত্, তাদের পক্ষে উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব হতো না। এই সময়ের মধ্যে তাদের যে মূলধন বা পুঁজি দেওয়া হত তা শেষ করে ফেলত। প্রশিক্ষণ দিয়ে যে কাজটা  শেখানো হয়েছিল শেষ পর্যন্ত সেটি আর করতে পারত না। তখন আমার পর্যবেক্ষণে যে বিষয়টি বেরিয়ে এসেছিল তা হলো সকলকে মালিক বানানো সম্ভব নয়। উদ্যোক্তা মানেই অতি ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান হলেও তিনি তার মালিক। তার কোনো কর্মচারী না থাকলেও তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক। মালিক হতে হলে একজন ব্যক্তির মধ্যে কিছু অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্য প্রয়োজন— যা সবার মধ্যে থাকে না। দূরদৃষ্টি, বিচক্ষণতা, সাহস, সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা আর নিজে কিছু করার অদম্য ইচ্ছা না থাকলে তাকে মালিক বানানো যায় না। এ কারণেই কনসার্ন সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার পরও তারা মালিক হতে পারেনি।

আমরা তখন কনসার্নকে বলেছিলাম দুস্থ মহিলাদের জন্য কিছু করতে হলে সবার জন্য ঢালাওভাবে একই কাজ করা ঠিক হবে না। আমরা পরামর্শ দিয়েছিলাম টার্গেট গ্রুপকে সেন্টারে আনার পর তাদেরকে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করতে। যাদের মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে, যারা সৃজনশীল মেধার অধিকারী, যারা দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং নিজে কিছু করার মতো সাহস ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি ধারণ করে তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য। আর যাদের মধ্যে এই বৈশিষ্ট্যগুলো বিদ্যমান নেই তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক উদ্যোক্তাদের অধীনে শ্রমিক হওয়ার জন্য। সকলকে উদ্যোক্তা তৈরির ভাবনাটি কখনো সফল করা সম্ভব নয়। আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ হলো সমাজের সকলে উদ্যোক্তা হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। শতকরা হারে এই সংখ্যাটি আড়াই শতাংশের বেশি হবে না। আড়াই শতাংশের মধ্যেই উদ্যোক্তা হওয়ার গুণাবলি পরিলক্ষিত হয়। আর বাকি মানুষকে কোথাও না কোথাও চাকরি করতে হবে। যদি সকলে উদ্যোক্তা তৈরির শপথ নিয়ে মাঠে নামি তাহলে সেটি কোনো ভালো পলিসি হবে বলে আমি মনে করি না। এখানে আরেকটি বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন। হবু উদ্যোক্তাদের যখন কোনো প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তখন তাকে কোনো একটি বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কিন্তু জ্ঞানবিজ্ঞানের প্রসারতা আর প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নতি প্রায়ই পুরনো পণ্যকে হুমকির মধ্যে ফেলে দেয়। এক সময় আমাদের দেশে বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন পণ্যের বেশ প্রচলন ছিল। কিন্তু নানা প্রকার পণ্যের উদ্ভাবন সেই বাজারকে ধূলিসাত্ করে দিয়েছে। ফলে, উদ্যোক্তারা যদি নিজেদের প্রযুক্তির সাথে তাল মিলাতে না পারে তাহলে দেখা যায় তার পণ্যের বাজার আর থাকে না। আর তাদের পক্ষে পণ্য বৈচিত্র্যকরণ করা সম্ভবও হয় না। ফলে, তাদের পণ্যগুলো হারিয়ে যায়। তাদের উদ্যোগগুলোও থেমে যায়।

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আরেকটি সমস্যা হলো তাদের প্রশিক্ষণের ধরন। অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাই আছে যারা একটি বা দুটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু পরে যখন ওই প্রশিক্ষণের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা পণ্য বাজারে চলে না, ক্রেতারা কেনে না, তখন তার ব্যবসা গুটিয়ে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। প্রযুক্তির উত্কর্ষের কারনে এখন ক্রেতাদের সামনে এত ধরনের পণ্য এসে হাজির হয়েছে যার কারণে বেশিরভাগ ক্রেতা সনাতন পণ্যের প্রতি আর আগ্রহ দেখাচ্ছে না। বাজারের চাহিদার সাথে নিজেকে মেলাতে না পারার কারণেও অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা টিকে থাকতে পারে না।

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আরেকটি সমস্যা হলো মূলধন। অনেকে সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর বিনা জামানতে ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার বা এক লাখ টাকা ঋণ হিসেবে পায়। এই টাকা দিয়ে তারা ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু নানা কারণে তাদের পক্ষে ব্যবসা সঠিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। জ্ঞানের স্বল্পতার কারণে বাজারের প্রতিযোগিতা ঠিকভাবে মোকাবিলা করতে পারে না। বাজার সম্পর্কে কোনো স্বচ্ছ ধারণা না থাকার কারণে ব্যবসা ঠিকমতো বুঝে উঠতে পারে না। মানসিকভাবেও অনেক সময় চাপে থাকার কারণে ব্যবসার প্রতি সম্পূর্ণ মনোযোগী হতে পারে না। এমন একটি অবস্থায় যখন ব্যবসা ঠিকভাবে চালাতে পারে না তখন ঋণের কিস্তি শোধ করা নিয়ে প্রতিক্ষণ একটি বাড়তি চাপ অনুভব করে। ফলে চতুর্মুখী চাপের কারণে শেষ পর্যন্ত ব্যবসা আর ধরে রাখতে পারে না। এক সময় ঋণের আবর্তে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে সেই উদ্যোক্তা।

আমাদের দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আরেক ধরনের সমস্যা রয়েছে। প্রায়ই দেখা যায় এ ধরনের উদ্যোগ যারা গ্রহণ করে তারা আবার পারিবারিক বিভিন্ন দায়িত্ব গ্রহণেও বাধ্য হয়। যখন বেকার ছিল তখন হয়তো তেমন দায়িত্ব নিতে হয়নি। কিন্তু যখনই কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তখনই দায়িত্বও নিতে হয়েছে। ব্যবসার অবস্থা কেমন বা কেমন চলছে এ বিষয়গুলো নিয়ে পরিবার মাথা ঘামাতে চায় না। তখন আয়ের পাশাপাশি ব্যয়ও করতে হয়। এ ধরনের উদ্যোক্তাদের হিসাবজ্ঞান ভালো না থাকার কারণে তারা বুঝে উঠতে পারে না কত টাকা আয়ের বিপরীতে কত টাকা ব্যয় করছে। কখনো কখনো অনুত্পাদন খাতেও মোটা অংকের টাকা খরচ করে ফেলে। বাড়িতে নিজের বা ভাই-বোনের বিয়ের আয়োজন হলে হিসাবের বাইরে অনেক টাকা খরচ করে। বিভিন্ন উত্সবে টাকা খরচ করে। কিন্তু বিষয়টি যখন বুঝতে পারে তখন আর করার কিছু থাকে না। মূলধন সংকটে পড়ে ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে হয়। কখনো কখনো ঋণের কিস্তির টাকাই তাদের পক্ষে পরিশোধ করা সম্ভব হয় না। ফলে, এ ধরনের উদ্যোক্তারা ঋণ পরিশোধ, সঞ্চয় বা মূলধন গঠনের মতো কাজগুলো করতে পারে না। এক পর্যায়ে তারা উদ্যোক্তার সারি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়।

নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকার পরেও দেখা যায় শতকরা পাঁচ ভাগ উদ্যোক্তা হয়তো ব্যতিক্রম। তাদের মধ্যে সৃজনশীলতা আছে। বুদ্ধিদীপ্ত মেধা রয়েছে। উদ্যোগ গ্রহণের মতো সাহস আছে। তারা হয়তো কিছু একটা শুরু করে। এক পর্যায়ে ওই উদ্যোক্তা হয়তো তার উদ্যোগ থেকে ভালো একটা মুনাফা করতে সক্ষম হয়। কিন্তু, মুনাফার ধারাবাহিকতা ধরে রাখা সম্ভব হয় না। কারণ, তার দেখাদেখি আরো অনেকেই সেই একই উদ্যোগে ঝাঁপিয়ে পড়ে। একই ধরনের উদ্যোগ অনেকে গ্রহণের কারণে পণ্যের সরবরাহ বেড়ে যায়। বাজারে চাহিদা অপেক্ষা জোগান বেড়ে যাওয়ার কারণে দাম কমে যায়। এক পর্যায়ে নিজেদের মধ্যে অস্বচ্ছ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। ফলে শেষ পর্যন্ত কারো পক্ষেই বাজারে টিকে থাকা সম্ভব হয় না। গ্রামাঞ্চলে এ ধরনের উদ্যোগের অনেক নমুনা রয়েছে। যুব উন্নয়ন থেকে কেউ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে যদি গ্রামের কিছু জায়গায় থাই পেয়ারার গাছ লাগিয়ে কয়েক বছর পর ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারে তাহলে তার পরের বছরই দেখা যাবে পুরো গ্রাম থাই পেয়ারা গাছে ভরে গেছে। শুধু থাই পেয়ারা নয়, ক্ষুদ্র পরিসরে শুরু করা যায় এমন যে কোনো পণ্যের ক্ষেত্রেই অভিন্ন অবস্থা দেখা যায়। এটিও আমাদের দেশে উদ্যোক্তা তৈরিতে একটি বড় সমস্যা।       

উত্পাদনের পরিমাণের মাত্রা নিয়েও আমাদের দেশে উদ্যোক্তা তৈরিতে রয়েছে সমস্যা। একজন বেকার যুবক যখন কোথাও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে উদ্যোগ গ্রহণ করতে উত্সাহী হয় তখন প্রায় সকল ক্ষেত্রেই তাদের ক্ষুদ্র পরিসরে আরম্ভ করতে হয়। কেউ হয়তো চিন্তা করতে পারে তাঁতের শাড়ি নিয়ে কাজ করবে। শাড়ি বুনন বা ব্যবসা পরিচালনার উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে শাড়ির ব্যবসা শুরু করতে পারে। যেহেতু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সেহেতু তার পক্ষে বেশি শাড়ি উত্পাদন করা সম্ভব না। উত্পাদনের পরিমাণ কম হওয়ার কারণে শাড়ির একক প্রতি উত্পাদন ব্যয় বেশি হবে। উদ্যোক্তার শাড়ির চাহিদা যদি ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তখন বড় কোনো উদ্যোক্তা তাঁতের পরিবর্তে মেশিনে ওই শাড়ি তৈরি করবে। মেশিনে শাড়ি তৈরির কারণে এককপ্রতি উত্পাদন ব্যয় অনেক কমে আসবে। তখন ক্রেতারা প্রায় একই শাড়ি বেশি দামে কিনবে না। যদি অনুরূপ শাড়ি ভারত থেকে আসতে শুরু করে তখন অল্পসংখ্যক ক্রেতাই বলবে এটি আমার দেশে তৈরি শাড়ি, এটি ক্রয় করলে একজন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হবে। বেশির ভাগ ক্রেতা কম দামে ভারতীয় শাড়িই কিনবে। ফলে, উদ্যোক্তারা উত্পাদনের পরিমাণগত সমস্যার কারণেও বাজারে টিকে থাকতে ব্যর্থ হয়ে ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়।

লেখক :উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়





« PreviousNext »

সর্বশেষ
অধিক পঠিত
এই পাতার আরও খবর
ইনফরমেশন পোর্টাল অব বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড -এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রওশন জামান -এর পক্ষে সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান  ও উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ আখতার ইউসুফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত
ইমেইল: info@iportbd.com, বার্তা বিভাগ: newsiport@gmail.com