Sunday, 19 November, 2017, 3:26 AM
Home রাজনীতি
আগাম নির্বাচন ও সুবিধাবাদ
কামাল আহমেদ লিখেছেন প্রথম আলোয়
Published : Friday, 28 April, 2017 at 3:10 PM, Update: 30.04.2017 6:25:10 PM, Count : 77
থেরেসা মে আগাম নির্বাচন দিয়ে জনরায় নেওয়ার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার পর এক সাংবাদিক বন্ধু তাঁর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে আমাকে বললেন, ‘দেখলেন তো, আমাদের উপমহাদেশের রাজনীতিকদের সঙ্গে ব্রিটিশদের তফাতটা কেমন? ব্রিটিশরা জনগণের কাছে ম্যান্ডেট চাইতে ভয় পায় না। আর আমরা ঠিক তার উল্টো।’ কেন্দ্র দখল আর বিনা ভোটের নির্বাচন—যেকোনোভাবে ভোট দখলে অভ্যস্ত গণতন্ত্রের অভিজ্ঞতার কারণে ওই সাংবাদিক এমন কথা বলতেই পারেন।

ওই সাংবাদিক বন্ধুর কথায় হয়তো কিছুটা সত্যতা আছে, পুরোটা নয়। কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকার পরও থেরেসা মে জনমত যাচাই করে নেওয়ার পথে যে গেছেন, সেটা যতটা সরল মনে হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি কুটিল। তাঁর পূর্বসূরি ডেভিড ক্যামেরনও ইউরোপের স্বেচ্ছায় গণভোট দিয়েছিলেন। নিজে ইউরোপীয় জোট থেকে বেরিয়ে আসার পক্ষে না থাকার পরও তিনি গণভোট দিলেন এবং জনরায় তাঁর বিপক্ষে যাওয়ায় সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা না থাকার পরও পদত্যাগ করলেন। তাঁর পদত্যাগের পর দলের নেতৃত্বে প্রায় বিনা চ্যালেঞ্জেই অভিষিক্ত হন থেরেসা মে এবং সেই সুবাদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। কিন্তু প্রধানমন্ত্রিত্বের মাত্র আট মাসের মাথায় নতুন করে নির্বাচন তিনি কেন দিলেন? অধিকাংশ জনমত জরিপেই দেখা যায়, তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জেরেমি করবিনের থেকে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। তাঁর দলও বিরোধী দল লেবার পার্টির থেকে এগিয়ে আছে। অর্থাৎ, একটি সুবিধাজনক অবস্থানের সুযোগকে তিনি কাজে লাগাতে চাইছেন।

অনেক দিন ধরেই ব্রিটেনের নির্বাচনগুলোতে ভোটাররা শুধু যে তাঁদের পছন্দের দলকেই ভোট দেন, তা নয়। ভোটাররা সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের গুণাগুণও বাছাই করেন। থেরেসা মের আগাম নির্বাচনের সম্ভবত সেটিও একটি কারণ। দৃঢ় নেতৃত্বের বিবেচনায় তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীর থেকে অনেক দূর এগিয়ে আছেন। দলের এমপিরাও তাঁর প্রতি পুরোপুরি আস্থা ও আনুগত্য বজায় রেখেছেন। বিপরীতে, লেবার নেতা জেরেমি করবিনের প্রতি দলের সাধারণ সদস্যদের আস্থা থাকলেও দলের অধিকাংশ এমপি অনাস্থা দিয়ে তাঁকে অপসারণের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। প্রতিপক্ষের দলীয় সংহতিই যখন নাজুক অবস্থায়, সেই সময়টিকেই প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য বেছে নিয়েছেন মিসেস মে। তবে দুর্বলকে আরও দুর্বল করার এই নীতির ফল যে উল্টো হতে পারে না, তেমন মনে করাটাও যৌক্তিক নয়।

মিসেস মে যেদিন আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন, তার মাত্র দুই দিন আগে তুরস্কের গণভোটে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। ওই সংশোধনীগুলোর মধ্য দিয়ে মি এরদোয়ান তুরস্কের ইতিহাসে রাজতন্ত্র বা সুলতানি আমলের পর সবচেয়ে ক্ষমতাধর সরকারপ্রধানে পরিণত হয়েছেন। মিসেস মের বিরুদ্ধে এখন সমালোচনা উঠেছে যে তিনিও এরদোয়ানের মতো কর্তৃত্ববাদী হতে চাইছেন। আর সেটাই তাঁর নতুন করে ম্যান্ডেট চাওয়ার আসল কারণ। মিসেস মে যে পার্লামেন্টের অবসান ঘটাচ্ছেন, তার মেয়াদ ছিল ২০২০ সাল পর্যন্ত। তিনি আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার মাত্র সপ্তাহ তিনেক আগে (২৯ মার্চ ২০১৭) ইউরোপ থেকে ব্রিটেনের বিচ্ছেদ (ব্রেক্সিট) ঘটানোর আনুষ্ঠানিক নোটিশ দিয়েছেন। সেই হিসেবে ইউরোপের সঙ্গে বিচ্ছেদের চূড়ান্ত বোঝাপড়া এবং দেনা-পাওনা মেটানোর পালাটি তাঁকে শেষ করতে হবে ২০১৯-এর মার্চে। ব্রেক্সিটের কারণে ব্রিটিশ অর্থনীতি যে একটা বড় ধরনের ধাক্কা খাবে, তা মোটামুটি নিশ্চিত। ফলে ব্রেক্সিটে মোহভঙ্গের সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাবে ২০২০-এ নির্বাচনে জেতাটা তাঁর জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত। কিন্তু আগাম নির্বাচন করে নেওয়ার কারণে তাঁকে আর ২০২২-এর আগে ভোটারদের কাছে ম্যান্ডেট নবায়নের জন্য যেতে হবে না। আর তাঁর হিসাব এবং আশা যে ব্রেক্সিটের পর দুই-আড়াই বছর সময় পেলে অর্থনীতিটা সামলে নেওয়া যাবে।

মিসেস মের এখন নির্বাচন করার আরেকটি কারণ ব্রেক্সিটের দর-কষাকষিতে নিজের অবস্থানকে জোরদার করে নেওয়া। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি বলে আসছিলেন যে গণভোটের ম্যান্ডেট অনুযায়ী ইউরোপ থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে আসার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলো নেবে তাঁর সরকার। দর-কষাকষিতে ব্রিটেন যদি আশানুরূপ সুবিধা না পায়, তাহলে দ্বিতীয় দফা গণভোট তো দূরের কথা, তিনি পার্লামেন্টেরও অনুমোদন চাওয়ার বিরুদ্ধে ছিলেন। কিন্তু বিষয়টি আদালতে গড়ালে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে তাঁকে পার্লামেন্টের কাছে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে অনুমোদন নিতে হয়েছে। এখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলে ইউরোপের কাছে যেমন তাঁর মর্যাদা বাড়বে, তেমনি পার্লামেন্টেও তাঁকে খুব একটা বেগ পেতে হবে না। ব্রিটেনের জন্য ভালো বা নমনীয় শর্তে (সফট ব্রেক্সিট) বিচ্ছেদ চূড়ান্ত করার বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত হতে পারলে খারাপ বা কড়া শর্তে বিচ্ছেদে (হার্ড ব্রেক্সিট) তাঁর জন্য আর কোনো বাধা থাকবে না। তাঁর দল কনজারভেটিভ পার্টির কট্টর ডানপন্থী জাতীয়তাবাদীরা সে পথেই তাঁকে নিতে চায়। এই নির্বাচনে ক্ষমতার পালাবদল না হলে এখন তেমনটি ঘটার আশঙ্কাই বেশি। সুতরাং, এক অর্থে এই নির্বাচনের ওপর ব্রেক্সিটের ভবিষ্যৎও নির্ভরশীল। ব্রেক্সিট এক প্রধানমন্ত্রীকে অকাল অবসরে পাঠিয়েছে, আরেকজনকেও যে পাঠাবে না, তেমনটা অবশ্য নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

অধিকাংশ জনমত জরিপে থেরেসা মে এবং তাঁর দল যখন নিশ্চিন্তে থাকার মতো ব্যবধানে এগিয়ে আছে, তখন এ ধরনের সম্ভাবনাকে বাতুলতা মনে হতে পারে। কিন্তু আসলেই কি তাই? একজন সাবেক নারী ব্যাংকার, জিনা মিলারকে সবার খুব একটা চেনার কথা নয়। কিন্তু এই অখ্যাত নারীই থেরেসা মেকে ব্রেক্সিটের বিষয়ে পার্লামেন্টে ফিরে যেতে বাধ্য করেছিলেন। ব্রিটেনে মামলার খরচ অনেক। কিন্তু জিনা মিলার নিজের পয়সায় হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে আইনি লড়াই চালিয়ে পুরো ব্রিটেনকে চমক দেখিয়েছেন। তাঁর আইনি লড়াইয়ের কারণেই আদালতের রায় এসেছে যে ব্রেক্সিট প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন। এখন তিনি আবার মাঠে নেমেছেন। হার্ড ব্রেক্সিটের সমর্থক এমপিদের হারাতে প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য তহবিল গড়ছেন। তিন লাখ পাউন্ড সংগ্রহের লক্ষ্য ঠিক করে ১৮ এপ্রিল সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই তহবিল গড়ার উদ্যোগ নিয়ে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে পুরোটাই জোগাড় করে ফেলেছেন। চাঁদা দিয়েছেন ১০ হাজার লোক। তিনি প্রায় ১০০টি আসনে ব্রেক্সিট সমর্থক এমপিদের হারাতে চান। এই উদ্যোগে ক্ষতিটা হবে কনজারভেটিভদের। লাভবান হবেন লেবার, লিবারেল ডেমোক্র্যাট ও গ্রিন পার্টির প্রার্থীরা।

এসব দলের মধ্যে লেবার এখন স্পষ্ট করেই বলেছে, ব্রেক্সিটের পরও ইউরোপীয় বাজারে বিনা শুল্কে ব্রিটিশ পণ্যের প্রবেশাধিকার অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। সেটা ছাড়া কোনো সমঝোতায় তারা রাজি হবে না। লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা ব্রেক্সিটের সমঝোতার ওপর দ্বিতীয় আরেকটি গণভোটের অঙ্গীকার করেছে। আর গ্রিনরা কোনোভাবেই ব্রেক্সিটের পক্ষে নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ব্রেক্সিটবিরোধী স্কটিশ জাতীয়তাবাদী এসএনপি। ফলে কনজারভেটিভদের এককভাবে সরকার গড়ার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা না-ও হতে পারে। তাহলে একটি কোয়ালিশন সরকারের সম্ভাবনা জোরালো হবে। আর ডানপন্থী কনজারভেটিভদের সঙ্গে প্রায় তাদের বিপরীত ধারার লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা এর আগে জোট বেঁধে পাঁচ বছর সরকার চালিয়ে যে দৃষ্টান্ত তৈরি করে গেছে, তাতে কনজারভেটিভ–বিরোধী একটি নতুন জোট মোটেও অসম্ভব কিছু নয়।

জিনা মিলারের উদ্যোগটিই ব্রেক্সিটবিরোধী, এ রকম একমাত্র প্রচারাভিযান নয়। ইউরোপের সঙ্গে বিচ্ছেদের বিপক্ষে ছিল এ রকম তিনটি নাগরিক গোষ্ঠী—ওপেন ব্রিটেন, ইউরোপিয়ান মুভমেন্ট ও ব্রিটেন ফর ইউরোপও একজোট হয়ে একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। ২৫ এপ্রিল তারা ঘোষণা করেছে ২০/২০ পরিকল্পনা। তারা চায় কট্টর ব্রেক্সিটপন্থী ২০ জন এমপিকে হারানো এবং সমসংখ্যক ব্রেক্সিটবিরোধীকে পুনর্নির্বাচিত করার লক্ষ্যে কৌশলগত ভোট ভাগাভাগির সমঝোতা। ব্রিটেনে এই গোষ্ঠীগুলোর তালিকাভুক্ত স্বেচ্ছাসেবকের সংখ্যা ছয় লাখ। এই কৌশলগত ভোট সমঝোতার প্রথম সুবিধাভোগী হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লেবার প্রার্থী রুপা হক। ২০ এপ্রিল গ্রিন পার্টি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় সভা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রুপাকে সহায়তার জন্য তারা সেখানে প্রার্থী দেবে না।

নির্বাচনে জেরেমি করবিনের সম্বল হচ্ছে তাঁর সততা। তাঁর প্রতি লেবার পার্টির এমপিদের আনুগত্যে ঘাটতি থাকলেও তাঁর নেতৃত্বে আকৃষ্ট হয়ে বিপুল সংখ্যায় মানুষ তাঁর দলে যোগ দিয়ে সদস্যসংখ্যার দিক থেকে লেবারকে ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় দলে রূপান্তরিত করেছেন। জেরেমি নিজে এসব সমর্থককে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রচারে প্রাণসঞ্চার করতে সক্ষম হয়েছেন। ১০ বছর ধরে সরকারের কৃচ্ছ্রতা কর্মসূচি এবং ধনীবান্ধব নীতিগুলোর কারণে শ্রমজীবী ও মধ্যবিত্তের কষ্ট বেড়েই চলেছে। তাঁরাও বিকল্প খুঁজছেন। করবিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি হয়তো তাঁদের এখনো আশ্বস্ত করতে পারছে না। আগামী পাঁচ সপ্তাহে সেটি যে একেবারেই অসম্ভব, তা–ও নয়।

অনেকে করবিনকে ট্রাম্পের মতো জনতুষ্টিবাদী রাজনীতিক হিসেবে অভিহিত করতে চান। কিন্তু বাস্তবে তিনি ট্রাম্পের পুরো বিপরীত। তিনি অভিবাসনবিরোধী নন, শ্রমজীবীদের বন্ধু, ন্যায়সংগত কর–ব্যবস্থা চালুর পক্ষে, যাতে ধনীদের কর দিতে হবে বেশি। পরমাণু অস্ত্রের বিরোধিতা ও শান্তিবাদী ইমেজের কারণে নিরাপত্তার প্রশ্নে অবশ্য তিনি কিছুটা নাজুক অবস্থায় আছেন। কেননা, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রনীতি বরাবরই কিছুটা আগ্রাসী। নিরাপত্তার বিষয়ে ব্রিটিশ জাতীয় মানসিকতা অনেকটাই স্বার্থপরতাপূর্ণ।

বিপরীতে থেরেসা মে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দৃঢ়। ব্যবসাবান্ধব কর নীতি, প্রশাসনিক সংস্কার ও ব্যক্তি খাতকে প্রণোদনা দেওয়ার কারণে তাঁর দল তাঁর নেতৃত্বের প্রতি যথেষ্ট আস্থাবান। তবে তাঁর প্রচারপর্বের শুরুটা ভালো হলো না। গত আট মাসে ডজনখানেক বার আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা নাকচ করার পর হঠাৎ করে তিনি যে সুবিধাবাদী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাতে প্রমাণিত হয়েছে, তিনি তাঁর কথায় অনড় থাকতে পারেন না। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নিতে তাঁর অস্বীকৃতি তাঁর বিপক্ষেই যাচ্ছে। বুধবার প্রকাশিত জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার মনে করেন, তাঁর এই বিতর্কে অংশ নেওয়া উচিত। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, ২০১৫-তে তাঁর দল কর না বাড়ানোর যে অঙ্গীকার করেছিল, তিনি সেখান থেকে সরে আসতে চান। ভবিষ্যতে আরও কৃচ্ছ্রতার প্রস্তাব আসবে, সেই আশঙ্কাও প্রবল।

নির্বাচন এবং বাজি ধরা এই দুইয়ের মধ্যে অনেকটাই মিল আছে। শেষ না হওয়া পর্যন্ত জয়ের কথা বলা যায় না। ব্রিটিশরা একটি বাজিপ্রিয় জাতি বললে বোধ হয় খুব একটা ভুল বলা হবে না। তারা ঘোড়দৌড়ে বাজি ধরে, নির্বাচনে বাজি ধরে, ফুটবল-ক্রিকেট-রাগবি—সব ধরনের খেলায় বাজি ধরে। তো ২২ এপ্রিল শনিবার ১৯ বছর বয়সী তরুণ লুইস এলিয়ট এক অদ্ভুত বাজি ধরেছিলেন। এফএ কাপের সেমিফাইনালে চেলসি-টটেনহাম, স্কটিশ কাপে হাইবারনিয়ান-অ্যাবার্ডিন এবং ইংলিশ দ্বিতীয় বিভাগে ক্রলি-কার্লাইলের তিনটি খেলার প্রতিটির উভয়ার্ধেই দলগুলোর প্রতিটাই গোল করবে বলে তিনি বাজি ধরেন। ওই বাজিতে ১ পাউন্ডের বিপরীতে বাজি ছিল ৬ হাজার ৮৫৮ পাউন্ড। লুইস এলিয়ট ৩ পাউন্ড বাজি ধরে জিতেছেন ২০ হাজার পাউন্ডেরও বেশি। সর্বশেষ খবর হচ্ছে, বাজিতে করবিনের জেতার সম্ভাবনা সাতের মধ্যে এক।

: সাংবাদিক।









« PreviousNext »

সর্বশেষ
অধিক পঠিত
এই পাতার আরও খবর
ইনফরমেশন পোর্টাল অব বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড -এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রওশন জামান -এর পক্ষে সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান  ও উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ আখতার ইউসুফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত
ইমেইল: info@iportbd.com, বার্তা বিভাগ: newsiport@gmail.com