Tuesday, 24 October, 2017, 4:29 AM
Home
শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না
মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার লিখেছেন যুগান্তরে
Published : Thursday, 27 April, 2017 at 1:35 PM, Count : 113
লিখেছেন যুগান্তরে সাম্প্রতিক রাজনীতির সবচেয়ে আলোচিত সংবাদ হল সরকারের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের সমঝোতা। এ সমঝোতায় সরকার কেবল হেফাজতের দাবি-দাওয়া মেনে নেয়নি, কওমিপন্থী আলেমদের নেতা মাওলানা শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বে প্রায় ৩০০ আলেম-ওলামার সঙ্গে বৈঠক করে তাদের অভূতপূর্ব সম্মান প্রদর্শন করেছে। হেফাজতে ইসলামের যেসব দাবির স্বীকৃতি ওই বৈঠকে দেয়া হয়েছে তার মধ্যে কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ ডিগ্রিকে মাস্টার্সের সমমান প্রদান এবং সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবী থেমিসের ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিশ্রুতি অন্যতম। উল্লেখ্য, এর আগে হেফাজতের দাবি অনুযায়ী স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন এনে সরকার সংগঠনটির প্রশংসা অর্জন করে। হেফাজতে ইসলামের এসব দাবি মেনে নিয়ে সরকার ভাবতে পারে, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজত নেতাকর্মীদের সমাবেশ পণ্ড করে তাদের সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণের কারণে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছিল, তা কমাতে পারবে। তবে এ ভাবনা কতটা বাস্তবোচিত তা ভবিষ্যৎই বলে দেবে।

হেফাজতের শাপলা চত্বর সমাবেশের বিষয়গুলো নাগরিক সমাজের কাছে এখনও পরিষ্কার হয়নি। সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছিল, ওই সমাবেশে একজনও নিহত হয়নি। সরকারের ওই ব্যাখ্যা জনমনে বিশ্বাসযোগ্যতা পায়নি। আবার সরকারের পক্ষ থেকে হেফাজত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বায়তুল মোকাররমে কোরআন শরিফ পোড়ানো এবং মতিঝিলে গাছ কাটার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছিল। যারা পবিত্র কোরআন শরিফ পুড়িয়েছিল, ভিডিও ফুটেজ দেখে দেখে তাদের প্রত্যেকের বিচার করার ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু আজও সে বিচার হয়নি। কাজেই ধারণা করা যায়, কারা কোরআন শরিফ পুড়িয়েছিল সে বিষয়টি সরকার হয়তো পরিষ্কার করতে চায়নি। অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের দাবিদার আওয়ামী লীগ ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত হেফাজত নেতাকর্মীদের খুব বেশি গুরুত্ব দিয়েছে বলে মনে হয়নি। এ সময় সরকারি দলের অনেক নেতা ও মন্ত্রী হেফাজত নেতাকর্মীদের তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য দিয়েছেন। সরকারের একাধিক মন্ত্রী হেফাজতের আমীর মাওলানা আহমদ শফী সাহেবকে ‘তেঁতুল হুজুর’ বলে কটাক্ষ করেছেন। সুতরাং শাপলা চত্বর সমাবেশের প্রায় চার বছর পর একাদশ সংসদ নির্বাচন নিকটবর্তী হওয়ায় হঠাৎ করে হেফাজতের নেতাকর্মীদের গণভবনে উষ্ণ আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে তাদের দাবি-দাওয়া মেনে নেয়ার পেছনে কী কারণ থাকতে পারে তা অনুধাবন করা যায়।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকা’র নীতি অবলম্বন করে একে ‘রাজনৈতিক কৌশল’ বলে ব্যাখ্যা করতে চান। অনেকে আবার এ সমঝোতা জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে হেফাজতকে ব্যবহার করার জন্য করা হয়েছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের হেফাজতের দাবি মেনে নেয়ার লাভ হিসেবে হেফাজত আমীরের একটি জঙ্গিবাদবিরোধী বক্তব্যকে তুলে ধরেছেন। এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে জনাব কাদের কী বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তিনি কি বলতে চেয়েছেন, এ সমঝোতার আগে শফী সাহেব জঙ্গিবাদের পক্ষে বক্তব্য দিতেন; কিন্তু সরকার তাদের সম্মান ও কওমি সনদের স্বীকৃতি দেয়ার পর তিনি জঙ্গিবাদের বিপক্ষে বক্তব্য দেয়া শুরু করেছেন? এমন ব্যাখ্যা কি সমর্থনযোগ্য? জনাব কাদের এমনটা কীভাবে মনে করেন যে, আহমদ শফী হুজুর জঙ্গিবাদবিরোধী বক্তব্য দিলে তার বক্তব্য শুনে জঙ্গিবাদে জড়িতরা রাতারাতি ভালো হয়ে যাবে? এমন ভাবনা আকাশ কুসুম কল্পনার সঙ্গে তুলনীয়। সরকারদলীয় নেতাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, এখন যারা জঙ্গিবাদে জড়িত তাদের মধ্যে কওমি মাদ্রাসাপড়ুয়ার সংখ্যা বেশি নয়। গুলশানের হলি আর্টিজানের জঙ্গি হামলা থেকে শুরু করলে সাম্প্রতিক বিভিন্ন জঙ্গি তৎপরতায় জড়িতদের অধিকাংশই উচ্চবিত্ত পরিবারের জিন্স পরা, অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ইংরেজি শিক্ষিত নামি-দামি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এ জঙ্গিরা শফী হুজুরের কথা শুনতে যাবে কেন?

নাগরিক সমাজ সরকারের সঙ্গে হেফাজতের সমঝোতার উদ্দেশ্য জঙ্গি প্রতিরোধ বলে মনে করে না। তারা মনে করে, এ সমঝোতার কারণ রাজনৈতিক। নির্বাচনী লাভ-লোকসানের অঙ্ক কষে এ সমঝোতা করা হয়েছে। সরকার ভালোই জানে, এ রকম কাজ করলে সরকারের শরিক বাম নেতারা নাখোশ হবেন। বিরাগভাজন হবে প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়। তা সত্ত্বেও নির্বাচন নিকটবর্তী হওয়ায় রাজনৈতিক ও নির্বাচনী স্বার্থের অঙ্ক কষে সরকার হেফাজতকে খুশি করে তাদের ভোটব্যাংক করায়ত্ত করার চেষ্টা করছে। কারণ, সরকার তার বাম মন্ত্রীদের দলগুলোর ভোট আর কওমিপন্থী হেফাজতের ভোটের অঙ্কের বড় পার্থক্য সম্পর্কে অবহিত। তবে এ রাজনৈতিক অঙ্কের উত্তর মেলানো সরকারের জন্য কঠিন হবে। কওমি মাদ্রাসার হুজুররা রাজনীতি বোঝেন না, কিছু খাতির-যতœ করে নির্বাচনে সহজেই তাদের সমর্থন পাওয়া যাবে, এমনটি মনে করার দিন নেই। এখানে সরকার যেমন রাজনীতির দাবা খেলায় হেফাজতের সমর্থন আদায়ে সচেষ্ট, তেমনি হেফাজত নেতারাও ২০১৩ সালের ৫ মে’র ঘটনার জন্য প্রতিশোধপরায়ণ হওয়ার পরিবর্তে কৌশলী হয়ে তাদের দাবি-দাওয়া আদায়ে সচেষ্ট। এ রাজনীতির দাবা খেলায় এখন পর্যন্ত সরকারের চেয়ে হেফাজত এগিয়ে রয়েছে। ব্যাপারটি হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের মতো। ভারত ওই সফরে অনেক কিছু পেয়েছে, আর আমরা পেয়েছি কেবল আশ্বাস। এ আশ্বাস কতটা বাস্তবায়িত হবে তা ভবিষ্যৎই বলে দেবে।

আলোচ্য সমঝোতার আগে-পরে হেফাজত অনেক কিছু পেয়েছে। যেমন- পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন, আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবী থেমিসের বাঙালি রূপ দেয়া ভাস্কর্য অপসারণে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি, কওমি সনদের স্বীকৃতি, গণভবনের দাওয়াত এবং অভূতপূর্ব আদর-আপ্যায়ন। সব মিলিয়ে হেফাজতের প্রত্যক্ষ অর্জন কম নয়। অন্যদিকে, হেফাজত নেতারা প্রকাশ্যে নির্বাচনে সরকারি দলকে সমর্থন দেয়ার কথা বলেননি। গোপনে পর্দার অন্তরালে তারা কোনো আশ্বাস দিয়েছেন কিনা তা জানা যায়নি। আর যদি তারা তেমন আশ্বাস দিয়েও থাকেন, তাহলেও সে কথায় সারা দেশের হেফাজত নেতাকর্মীরা শাপলা চত্বরের ঘটনা ভুলে গিয়ে নৌকায় ভোট দেবেন, এমনটি বিশ্বাস করা যায় না। কাজেই আলোচ্য সমঝোতা থেকে প্রত্যক্ষভাবে যা কিছু প্রাপ্তি, তা হেফাজতের ঘরেই গেছে। সরকারি দলের ঘরে যায়নি। বরং সরকারি দল এবার বাংলা নববর্ষের শোভাযাত্রার কর্মসূচি বাতিল করে দিয়ে নিজেদের যেন কিছুটা গুটিয়ে নিয়েছে। চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রার কর্মসূচিও কিছুটা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।

আলোচ্য সমঝোতার ফলে চূড়ান্তভাবে কার লাভ বা লোকসান হবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে সরকারের এ রকম তৎপরতা দেখে নাগরিক সম্প্রদায় স্বস্তিবোধই করছে। স্বস্তির কারণটি হচ্ছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হয়তো দশম সংসদ নির্বাচনের মতো একটি একতরফা নির্বাচন চাইছেন না। দলীয় সরকারের অধীনে না করে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতা উপলব্ধি করে তিনি হয়তো আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনকে একটি ইনক্লুসিভ নির্বাচন করতে মনস্থির করেছেন। এ কারণে তার কাছে ভোটের গুরুত্ব অগ্রাধিকার পাচ্ছে। সে জন্য তিনি হেফাজতের ভোটব্যাংক বড় হওয়ায় নির্বাচনে তাদের সমর্থন পেতে চাইছেন। প্রধানমন্ত্রীর যদি নিজ পদে অধিষ্ঠিত থেকে, সংসদ না ভেঙে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অধীনে দলীয় সরকারের অধীনে দুর্বল নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন করার অভিপ্রায় থাকত, তাহলে হেফাজতের কাছে তার ভোট চাওয়ার প্রয়োজন পড়ত না। অমন নির্বাচনে এমনিতেই সরকারি দলের বিজয় সুনিশ্চিত হতো। তাই লক্ষণ দেখে মনে হয়, প্রধানমন্ত্রী হয়তো দলীয় সরকারের অধীনে একতরফা নির্বাচন করার পরিবর্তে নির্দলীয় বা অন্য কোনো চরিত্রের নির্বাচনকালীন বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ভাবছেন। এ জন্যই প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভোটের গুরুত্ব বেড়েছে। আর সে জন্যই তিনি হেফাজতের বড় ভোটব্যাংক আয়ত্তে আনতে চাইছেন। গণতন্ত্র চর্চার দিক থেকে বিবেচনা করলে এটি একটি শুভ লক্ষণ।

সরকার-হেফাজত সমঝোতা হওয়ার পর ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের অনুসারী ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির চর্চাকারী দাবিদার আওয়ামী লীগ আদর্শিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ায় সরকারি দলের নেতাকর্মীরা কিছুটা হলেও চুপসে গেছেন। রাতের টিভি টকশোগুলোতে সরকার সমর্থক বৃদ্ধিজীবীরা কিছুটা হলেও ম্রিয়মান হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে হেফাজত নেতাকর্মীরা চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন। তারা কওমি সনদের স্বীকৃতি পেয়ে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এখন দেখার বিষয় তারা কওমি মাদ্রাসা এবং ভোট দেয়ার স্বাধীনতাকে সরকারি নিয়ন্ত্রণমুক্ত রাখেন কিনা।

সরকারি দল এ সমঝোতার মধ্য দিয়ে দুই নৌকায় পা দেয়ার বিপদে পড়বে। আদর্শগতভাবে আওয়ামী লীগ নেতারা নিজেদের দলকে অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মনিরপেক্ষ বলে এতদিন যে দাবি করে আসছিলেন, আলোচ্য সমঝোতার পর সে দাবি দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে প্রগতিশীল দাবিদার শিক্ষিত বুদ্ধিজীবী ও বামদের অনেকের নির্বাচনী সমর্থন নৌকা থেকে সরে আসবে। সরকারি দল আদর্শচ্যুত হওয়ায় দোদুল্যমান ভোটাররাও এ দলের প্রতি বিরাগভাজন হবেন। আর এর সঙ্গে ইনকাম্বেসি ফ্যাক্টর এবং সরকারি দলের অঙ্গসংগঠনগুলোর দখল ও দাপট যুক্ত হলে ক্ষমতাসীনদের জন্য নির্বাচনী জয়ের অঙ্ক মেলানো কঠিন হবে। হেফাজত নেতাকর্মীরা সরকারি দলকে সমর্থনের ভাব দেখালেও ২০১৩ সালের কথা মনে পড়লে নৌকার ঘরে সিল দেবেন কিনা সে বিষয়টি নির্বাচনের পর অনুধাবন করা যাবে।

অন্যদিকে, হেফাজতের সঙ্গে সমঝোতা করায় সুন্নিপন্থীদের ভোটও অন্যদিকে চলে যেতে পারে। ইতিমধ্যে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত সরকারের মাদ্রাসা নীতিকে ‘রহস্যময়’ অভিহিত করে কওমি মাদ্রাসাগুলোর সনদকে স্বীকৃতি প্রদানের তীব্র বিরোধিতা করেছে। এ সমঝোতা করে সরকার নিজ ঘরেও অস্বস্তি ডেকে এনেছে। সরকারের বাম মন্ত্রীরা এ সমঝোতার পরও তাদের হেফাজতের সমালোচনা কমাননি। মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘তোষণ করলেও মৌলবাদীরা শেখ হাসিনাকে ভোট দেবে না। বরং অসাম্প্রদায়িক ভোটাররাই সরে যেতে পারেন।’ জাসদ থেকে আলোচ্য সমঝোতাকে ‘কেউটের লেজ দিয়ে কান চুলকানো’র মতো ভয়াবহ ঘটনা অভিহিত করা হয়েছে। ফলে মন্ত্রিসভা এবং সরকারে আলোচ্য সমঝোতা নিয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরিবর্তে অস্বস্তি কাজ করবে।

হেফাজতের ভোটব্যাংক কব্জা করতে গিয়ে সরকার বিভিন্ন দিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেসব ক্ষতির পাশাপাশি যদি হেফাজত শাপলা চত্বরের সমাবেশের ঘটনার কথা মনে করে নৌকায় সিল মারা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাহলে নির্বাচনী হিসাব-নিকাশে সরকারি দলের আম ও ছালা দুটিই খোয়ানোর আশঙ্কা আছে। এখানে আম হল হেফাজতের সমর্থন এবং ছালা হল প্রগতিশীল বাম দল এবং অন্যান্য ইসলামী দল ও শক্তির সমর্থন। তবে হেফাজতের ভোটের আশ্বাস পেয়ে সরকার ইনক্লুসিভ নির্বাচন দিলে দেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হবে। রাজনীতি চর্চায় আসবে গতিশীলতা। রুগ্ন গণতন্ত্র আবারও সুস্থ হয়ে উঠবে। আলোচ্য সমঝোতার মধ্যে নাগরিক সমাজ এমনই একটি শুভ ইঙ্গিত লক্ষ্য করছে।

ড. : অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

akhtermy@gmail.com










« PreviousNext »

সর্বশেষ
অধিক পঠিত
এই পাতার আরও খবর
ইনফরমেশন পোর্টাল অব বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড -এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রওশন জামান -এর পক্ষে সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান  ও উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ আখতার ইউসুফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত
ইমেইল: info@iportbd.com, বার্তা বিভাগ: newsiport@gmail.com