Sunday, 19 November, 2017, 3:09 AM
Home
হূদরোগের ঝুঁকি কমাতে বেশি করে বাদাম খান
আইপোর্ট নিউজ:
Published : Wednesday, 12 April, 2017 at 8:44 PM, Count : 99
আমাদের খাদ্য তালিকায় বাদাম অবশ্যই একটি উপাদেয় খাবার। শুধু তাই নয়, অনেকের কাছে বাদাম অত্যন্ত প্রিয়ও বটে। আর এই বাদামের রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ, যা মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যদি কেউ নিয়মিতভাবে বাদাম খান, তবে সন্দেহাতীতভাবেই তিনি নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। বাদাম একদিকে যেমন শরীরে প্রচুর পরিমাণে শক্তি জোগায়, অন্যদিকে শরীরের জন্য সরবরাহ করে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় চর্বি।

আপনার শরীরকে সুস্থ এবং কর্মক্ষম রাখতে আপনি খেতে পারেন— চীনাবাদাম, আখরোট, হিজলি বাদাম, পেস্তা বাদাম ও কাঠ বাদামের মতো নানা ধরনের বাদাম। মানব শরীরে বাদামের প্রভাব সম্পর্কিত বিষয়ের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভ্যানিয়া স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সম্প্রতি পরিচালিত নতুন একটি গবেষণা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, খাবারের সঙ্গে বাদাম মিশিয়ে খেলে অনেকাংশেই হূদরোগের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। এতে দূরে থাকা যায় হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক থেকে।

খাবারের পর রক্তে লিপিড ও ট্রাইগ্লিসারাইডসের মতো একধরনের চর্বি বেড়ে যায়, যা হূদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি চর্বিযুক্ত খাবার খেলেও যদি তিন আউন্স পরিমাণ বাদাম খাওয়া যায়, তবে রক্তে লিপিড বাড়ার হার কমে। খাবারের সঙ্গে চিনাবাদাম খেলে ৩২ শতাংশ পর্যন্ত ট্রাইগ্লিসারাইডসের স্তর কমতে দেখা যায়।

পেনসিলভ্যানিয়া স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পেনি ক্রিস ইথারটন বলেন, আমরা যখন কিছু খাই, তার পরবর্তীকালীন সময়ে সাধারণত আমাদের ধমনীগুলো কিছুটা দৃঢ় হয়ে যায়। তবে সংশ্লিষ্ট খাদ্য তালিকায় যদি বাদাম অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই এই দৃঢ় হওয়ার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। আর দৃঢ় হওয়ার প্রক্রিয়া সচল থাকলে ধমনীগুলোতে নিউট্রিক অক্সাইড নামক এক ধরনের যৌগের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়, যার ফলে ধমনীগুলোর স্থিতিস্থাপকতা অনেকাংশেই কমে যায়।

খাওয়ার পরে ট্রাইগ্লিসারাইডসের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা এর কারণে ধমনীর প্রসারণজনিত ঝুঁকি কমাতে বাদামের কোনো বিকল্প নেই বলেও জানান অধ্যাপক পেনি ক্রিস ইথারটন। বহুল আলোচিত এই নিবন্ধটি ইতিপূর্বে বিখ্যাত ‘নিউট্রিশন’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

অধ্যাপক পেনি ক্রিস ইথারটন আরো জানান, ধমনীগুলো দৃঢ় হলে সাধারণত সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া সীমিত হয়ে যায় এবং হার্টের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা অনেকাংশেই দুরূহ হয়ে পড়ে। আর এই অবস্থা যখন বার বার ঘটতে থাকে, তখনই দেখা দেয় হূদরোগের মতো মারাত্মক সমস্যা। এর ফলে মাঝে মাঝে হার্ট ফেইলিউর মতো ঘটনাও ঘটে। (এনডিটিভির খাদ্য পাতা অবলম্বনে)









« PreviousNext »

সর্বশেষ
অধিক পঠিত
এই পাতার আরও খবর
ইনফরমেশন পোর্টাল অব বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড -এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রওশন জামান -এর পক্ষে সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান  ও উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ আখতার ইউসুফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত
ইমেইল: info@iportbd.com, বার্তা বিভাগ: newsiport@gmail.com